দুর্ভোগ কমাতে মৌতলায় ২০ শয্যার হাসপাতাল চান এলাকাবাসী আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে কৃষ্ণনগরে জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্ট নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির বিশেষ মতবিনিময় সভা: ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব পরিদর্শন ও ক্লাবের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই — প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর, প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লি পলাশের ডাঙ্গায় দীর্ঘ দুই বছর পর পুলিশ ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন নন্দীগ্রামে ডা. লিটনের প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা আবু সাইদের আগাম নির্বাচনী জনসভা আশাশুনির বুধহাটা-পাইথালী সড়কের বেহাল দশা, জনভোগান্তি চরম ‎সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ ধ্বংস হ্রাস: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণ শ্রীমঙ্গলে চুরি ও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে ৬ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত নারী ও প্রতিবন্ধীর মাঝে গরু বিতরণ বেগমগঞ্জ বন কর্মকর্তা সামছু উদ্দিনের দুর্নীতির তদন্তে দুদক বরিশালের উন্নয়নে পাশে থাকতে চায় নেদারল্যান্ডস রাগ-অভিমান নয়, মানবিকতা ও সৌহার্দ্যই হোক সাংবাদিকতায় পথচলার শক্তি---প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। কমর আলী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় একজনের ফাঁসি, দুজন খালাস সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, নোয়াখালীতে সাবেক সেনা-নৌ সদস্যসহ ৭ জন গ্রেপ্তার ঠিকানা বদলেও ৯ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নিয়োগ বোর্ড গঠন না করেই শিক্ষক নিয়োগ



সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র বিদ্যাপীঠে সহকারী কৃষি শিক্ষক স্বপন কুমার ঘোষের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করেই ১৯৯৭ সালে নিয়োগ নিয়ে তিনি দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিয়োগের সময় তৎকালীন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমানকে প্রভাবিত করতে অভিভাবক সদস্য আকতার হোসেনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয়। এর ফলে কোনো ধরনের লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই স্বপন কুমার ঘোষকে সহকারী কৃষি শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সে সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন স. ম. আজিজুল হক।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ন্যূনতম বিধি-বিধানও মানা হয়নি। যেখানে কমপক্ষে তিনজন প্রার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, সেখানে এককভাবে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়। এছাড়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, ডিজির প্রতিনিধি মনোনয়ন, সাক্ষাৎকারের নম্বরপত্র, যোগদান অনুমোদনসহ গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাগজপত্র সংরক্ষণ করা হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক অডিটে এসব অনিয়ম ধরা পড়লেও প্রতিবারই অবৈধ সুবিধার মাধ্যমে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিয়োগপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, এতে স্কুল পরিচালনা কমিটির কোনো সদস্যের স্বাক্ষর নেই, বরং নামবিহীন সীল ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি আশাশুনি উপজেলার তৎকালীন মৎস্য কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকলেও তার নাম উল্লেখ নেই, যা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

একই ধরনের অসঙ্গতি দেখা যায় ১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিলের যোগদানপত্রেও। সেখানে ‘গৃহীত হইল’ উল্লেখ থাকলেও গ্রহণকারীর নাম নেই, রয়েছে শুধুমাত্র একটি স্বাক্ষর। যোগদানপত্রটি আশাশুনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত হওয়াও নিয়োগের বৈধতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

এ বিষয়ে বর্তমান প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম বলেন, স্বপন কুমার ঘোষের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট গরমিল রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনেক কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে এবং বলা যায়, নিয়োগটি মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুসরণ করে হয়নি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে স্বপন কুমার ঘোষ বলেন, তার নিয়োগ সম্পূর্ণ বৈধ এবং একাধিক অডিটেও তা প্রমাণিত হয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন-ভাতা ফেরত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag
আরও খবর