বলিভিয়ার বিমান বাহিনীর একটি কার্গো বিমান নোট (মুদ্রা) বহনকারী একটি মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্সেলো স্যালিনাস বলেন, হারকিউলিস সি-১৩০ বিমানটি এল আল্টো শহরের একটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে রানওয়ে থেকে সরে যায় এবং তারপর কাছের একটি মাঠে থামে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাস্থলে লোকজন ভিড় করেছেন, দুর্ঘটনার পর মাটিতে পড়ে থাকা টাকা তুলে নিচ্ছেন। ঘটনাস্থলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পানির পাইপ এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে লোকজনকে তাড়াচ্ছে।
ঘটনাস্থল থেকে তোলা আরও কিছু ছবিতে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত বিমানটি অর্ধেক ভেঙে গেছে এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ধাতব ও ভাঙা কাঁচের টুকরোয় পরিণত হয়েছে, অন্ধকার নেমে আসার সাথে সাথে ধ্বংসাবশেষ রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
জাতীয় বিমান সংস্থা বলিভিয়ানা ডি অ্যাভিয়াসিওন এক বিবৃতিতে জানায়, দুর্ঘটনার পর এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় অগ্নিনির্বাপণ প্রধান পাভেল টোভার নিশ্চিত করেছেন যে ১৫ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে নিহতরা বিমানের যাত্রী ছিলেন নাকি মোটরওয়েতে থাকা গাড়ির যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট নয়।
বলিভিয়ার বিমান বাহিনীর জেনারেল সার্জিও লোরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিমানের ছয় ক্রুর মধ্যে দুজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বলিভিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এল আল্টো, রাজধানী লা পাজ থেকে মাত্র তিন মাইল পশ্চিমে অবস্থিত। উপকূলীয় এল নিনোর আবহাওয়ার কারণে এই সপ্তাহে ভারী বৃষ্টিপাত এবং বন্যার কারণে বলিভিয়াসহ দক্ষিণ আমেরিকার বিশাল অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লা পাজ সীমান্তের ঠিক ওপারে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাত, ভূমিধস এবং বন্যার কারণে পেরুর সরকার তার প্রায় অর্ধেক জেলার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিনাস গেরাইসে তীব্র ঝড়ে কমপক্ষে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৬ দিন ৫০ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৬ দিন ৫ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৭ দিন ৫ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৭ দিন ২১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৮ দিন ১৬ মিনিট আগে
৯ দিন ২১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে