লাখাইয়ে শীত মৌসুমেও বিদ্যুৎতের লোডশেডিং, স্থানীয় মহলে ক্ষোভ।
লাখাইয়ে শীত মৌসুমেও বিদ্যুৎতের লোডশেডিং, স্থানীয় মহলে ক্ষোভ।
শীত মৌসুমেও লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না লাখাইয়ের বাসিন্দারা। শীতে বিদ্যুতের চাহিদা কমলেও হঠাৎ করে বেড়েছে লোডশেডিংয়ের তীব্রোতা। কয়েক দিন ধরে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে। দিনে-রাতে মিলে একাধিকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। এমন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা । এতে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারের উন্নয়ন নিয়ে।
শীতের মৌসুমে বিদ্যুতের এমন লোডশেডিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা বলছেন, গেল বছর জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে, ফলে দেশজুড়ে বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়। এরপরও মানুষ আশান্বিত ছিল শীতকাল নিয়ে। কারণ শীতকালে ফ্যান-এসি তেমন চলে না। ফলে চাহিদা কমে যায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ বিদ্যুতের। কিন্তু শীতেও লাখাইয়ে গত কয়েক দিন ধরে চলছে লোডশেডিং।
সিংহগ্রাম এলাকার বাসিন্দা রুবেল বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে দিনে ৪-৫ বার বিদ্যুৎ যাচ্ছে। প্রতিবার এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। শীত মৌসুমে এমন লোডশোডিং আগে কখনও হয়নি।
এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানার উৎপাদনও। উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক চালকল রয়েছে। কয়েক দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অটো রাইস মিলগুলোতে উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কলজে ছাত্র আমির হামজা বলেন, এই শীত মৌসুমে এত লোডশেডিং, গরমের দিনে না জানি কি হয় একমাত্র আল্লাহই জানে।
বুল্লাবাজার ব্যবসায়ী জুনাইদ মিয়া বলেন,শীতের দিনে এত লোডশেডিং আমার জীবনে এই প্রথম দেখলাম,আর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলে তারা ফোন রিসিভ করে না।
এ ব্যাপারে লাখাই ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার সুমন সাহার মুটোফোনে ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।