কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা খেয়াঘাটে নীরবতা: লঞ্চ বন্ধে সংকটে শ্রমিক ও ইজারাদার,ভোগান্তি যাত্রীদের অসুস্থ বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের পাশে হাজী সিরাজুল ইসলাম পীরগাছায় সাতদরগা যুব সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে শহীদদের স্বরণে উপজেলা জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে কীটনাশক দিয়ে কৃষকের টমেটো ক্ষেত ধ্বংস,পথে বসেছে কৃষক। আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের অভিযোগে আদালতে মামলা : উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ আসামি ১৪ শ্রীবরদীতে অবশেষে সামাজিক গোরস্থানে দাফন করিম মিয়ার পৌরসভার উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল শহরে ধুলাবালি রোধ ও সৌন্দর্যবর্ধনে সড়কে পানি ছিটানো কার্যক্রম বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব নয় - জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম শ্রীমঙ্গলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি গোয়ালন্দে ওজন পরিমাপে অনিয়ম, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা গোয়ালন্দে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সচেতনতার আহ্বান শেরপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন গোয়ালন্দে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা সভা সুন্দরবনের বনদস্যু নিমূলের দাবীতে মানববন্ধন

লোহাগাড়ায় পাহাড় ও টপসয়েল কাটা থামবে কবে? ধ্বংসের মুখে ফসলি জমি, হুমকিতে কৃষি ও পরিবেশ।

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম। 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় নির্বিচারে পাহাড় ও টপসয়েল কেটে নেওয়ার ফলে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একশ্রেণির মাটি খেকো চক্রের লাগামহীন কর্মকাণ্ডে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উর্বর ফসলি জমি, বিপন্ন হচ্ছে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য।


স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা ও আশপাশের ফসলি জমি থেকে রাতের আঁধারে এবং কখনো প্রকাশ্যেই কেটে নেওয়া  হচ্ছে পাহাড় ও উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল)। এসব মাটি  আবাসন প্রকল্প ও বিভিন্ন ভরাট কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে উৎপাদনক্ষমতা।


কৃষকদের অভিযোগ, টপসয়েল কেটে নেওয়ার পর জমিতে আর আগের মতো ফসল ফলছে না। ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের ফলন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে একসময় এসব জমি সম্পূর্ণ অনাবাদি হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


পরিবেশবাদীদের মতে, পাহাড় কাটা ও টপসয়েল অপসারণ শুধু কৃষির ক্ষতিই করছে না, বরং এটি ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমাচ্ছে এবং জলবায়ু ভারসাম্য নষ্ট করছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা ও পলি জমার সমস্যাও বাড়ছে।


সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এই মাটি খেকোদের নেই মাটির প্রতি কোনো মমত্ববোধ বা দায়বদ্ধতা। অল্প লাভের আশায় তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশকে ঠেলে দিচ্ছে চরম অনিশ্চয়তার দিকে।


স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান, কঠোর শাস্তি ও পাহাড়-টপসয়েল রক্ষায় শক্ত নজরদারি ছাড়া এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা সম্ভব নয়।


এখন প্রশ্ন একটাই—লোহাগাড়ায় এই পাহাড় ও টপসয়েল কাটা আর কতদিন চলবে? সময় থাকতেই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ মাশুল দিতে হবে পুরো জনপদকেই।




আরও খবর