সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে পিআইও কার্যালয়কে কার্যত দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। এসব কর্মকাণ্ডে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন অফিসে চিহ্নিত দালাল স্বপন কুমার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মকানুন অনুসরণ করা হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সভাপতি নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব থেকে চেকের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের কথা থাকলেও বাস্তবে সেই অর্থ পিআইও মফিজুল ইসলাম ও তার সহযোগী দালাল স্বপন কুমার নিজেরাই উত্তোলন করে থাকেন।
বিশেষ অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সাবেক স্বৈরাচারী সরকার আমলে শেখ হাসিনার শাসনকালীন সময়ে তার চাচাতো ভাই শেখ হেলালের আত্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে পিআইও মফিজুল ইসলাম বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে নামে-বেনামে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব অনিয়মের মাধ্যমে তিনি শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, “আমার অফিসে এসে কথা বলেন,” বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার এড়িয়ে যাওয়ার ভঙ্গিতে অভিযোগের বিষয়টি আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এসব দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত পিআইও মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত তদন্ত না হলে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর মানুষের আস্থা আরও নষ্ট হবে এবং দুর্নীতি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করবে।
৮ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১৫ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে