মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দীর্ঘদিনের দাবি—১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন, পদোন্নতির সুব্যবস্থা ও পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে সারা দেশের মতো সাতক্ষীরাতেও অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে “মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ” জেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা একত্রিত হয়ে তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) শেখ জাহাঙ্গীর আলম, ফিজিওথেরাপিস্ট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাবরেটরি) মোঃ আব্দুর রহমান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) মোঃ বোরহান উদ্দীন, মোঃ আসাদুজ্জামান সুমন, ফার্মাসিস্ট দীপংকর বর্মন, ইসলামি ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) রাব্বুল হাসান, ব্লিস হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার একটি অপরিহার্য অংশ হয়েও আমরা দীর্ঘদিন অবহেলিত। ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন, পদোন্নতির স্বচ্ছ ব্যবস্থা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।
এর আগে দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়—
৩০ নভেম্বর (রবিবার): সকাল ৯টা–১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি।
৩ ডিসেম্বর (বুধবার): সকাল ৮টা–১২টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি।
৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার): পূর্ণদিবস কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি।
কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, রিপোর্ট প্রস্তুতি ও ফার্মেসি সেবায় সাময়িক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। তবে আন্দোলনকারীরা বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
নেতৃবৃন্দ জানান, এই আন্দোলন শুধু সাতক্ষীরায় নয়, সারা দেশে একযোগে চলছে যাতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।
২১ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
১০ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে