বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে তিস্তার পানি, প্লাবিত হতে পারে ১২ জেলার নিম্নাঞ্চল কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১১ নাকুগাঁও ও কাটাবাড়ীতে বন্যহাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্স কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ‎ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল: উপকূলীয় বাগেরহাটে চরম সংকটে মৎস্য খাত জয়পুরহাটে ট্রাক অটোরিক্সা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৫ ! ট্রাক চালক আটক আক্কেলপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু. পীরগাছায় ঋণ খেলাপির মামলায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিলমারীতে রোডেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হুইল চেয়ারে বিতরণ করা হয়েছে। শেরপুরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী ফুটবলারদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ ঝিনাইগাতীতে তিন ভিক্ষুক পেলেন দোকানের মালামাল, একজনকে দেওয়া হলো অটোরিকশা মাদারীপুরের কালকিনিতে সা*পের কা*মড়ে নারীর মৃ*ত্যু নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্স কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জন্মদিন শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা শেরপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাদকের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও কারাদণ্ড ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ পর হত্যার দায়ে জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড রায়পুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষের চারা বিতরণ আশাশুনিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত লাখাইয়ে ঝাড় ফুঁ নামে প্রতারণা, হাতিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা

পৃথিবীর যে চার নদীর 'উৎস' জান্নাতে

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 22-08-2025 08:38:18 am

এ নদীগুলো ইসলামের ঐতিহ্যকে সমুন্নত করেছে। © ছবি : সংগৃহীত।


সহিহ মুসলিমের হাদিসে চারটি নদী জান্নাতের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, পৃথিবীতে এমন ৪টি নদী প্রবাহিত হয়েছে, যেগুলো জান্নাতের নদীগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এ নদীগুলো শুধু ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তাদের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ইসলামের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।


সহিহ মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী, ফোরাত, নীল, সাইহান ও জয়হান- এই চারটি নদী জান্নাতের নদী হিসেবে চিহ্নিত। এই নদীগুলো কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, জান্নাতের আশীর্বাদস্বরূপ এক মহা নিদর্শন।


নীল নদ (মিশর): নীল নদটি সহিহ মুসলিমে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নীল ও ফোরাত জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে রয়েছে।’ (মুসলিম ১৬৪)


নীল নদীর ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সবচেয়ে বিখ্যাত সংযোগ হল নবী মুসা (আ.) এর গল্প। তার মা ফেরাউনের আদেশ থেকে তাকে রক্ষা করার আশায় একটি ঝুড়িতে রেখে নীল নদীতে ভাসিয়ে দেন, যা অবশেষে ফেরাউনের পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। মুসার নবী হওয়ার যাত্রা শুরু হয় সেখান থেকেই। মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের চারটি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি আভ্যন্তরিক। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফুরাত। (মুসলিম ১৬৪)


জয়হান নদী (তুরস্ক): সহিহ মুসলিমে জয়হান নদীকে জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীতে আমরা যে সব উপহার উপভোগ করি তা জান্নাতের অফুরন্ত দানের একটি ক্ষুদ্র ঝলক।


এ নদী পূর্ব তারাস পর্বতমালার নুরহাক পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে মিশেছে। এটি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রাকৃতিক সীমানা ও বিভিন্ন সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে পরিচিত ছিল। জয়হান নদীর ডেল্টা এর সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত, যা বিভিন্ন পাখির প্রজাতির আবাসস্থল ও সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাসস্থান সরবরাহ করে।

 

অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিশরের) নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম। (মুসলিম ২৮৩৯)



সিহান নদী (তুরস্ক): সিহান নদী, যা সেরাস নামেও পরিচিত, সিলিসিয়া অঞ্চলের দীর্ঘতম নদী। এটি প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে।


প্রাচীন লেখকরা সিহান নদী সম্পর্কে বিশদভাবে লিখেছেন, এটি ঐ অঞ্চলের সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ নদীটি কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে গম, ভুট্টা, বার্লি, তুলা, ফল এবং সবজি চাষ করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ।


ফোরাত নদী (ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক): রসুলুল্লাহ (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, এক সময় আসবে যখন ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন করবে, এ নিয়ে মানুষ সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। তিনি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বলেছেন, ‘ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন না করা পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না। এ নিয়ে লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হবে, এবং একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন নিহত হবে।’


৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে হুসাইন (রা.) এবং তার সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়ার বাহিনী ফোরাত নদীর পানি থেকে বিরত রাখে। 

আরও খবর

6a0b39d358ff4-180526100955.webp
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

৫০ দিন ৩০ মিনিট আগে







69b7cb429d50e-160326032002.webp
আজ পবিত্র শবে কদর

১১৩ দিন ৭ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে