বারইয়ারহাটে আল-আবরার হজ্ব কাফেলার ওমরা কনফারেন্স শেরপুরে বিনা লাইসেন্সে পশুখাদ্য উৎপাদন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা লক্ষ্মীপুর নজরুলের আগমনের শতবর্ষে জেলা সাহিত্য সংসদের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ মিরসরাইয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা কুল্যা টু বাঁকা সড়ক মরণফাঁদে পরিণত দ্রুত সংস্কারের দাবি চন্দনাইশে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা লাখাইয়ে পবিত্র জসনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপিত। ৪টার পর ক্যাম্পাসে অবস্থান নিষিদ্ধ, শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন ‘কলেজ নাকি কিন্ডারগার্টেন?’ পবিপ্রবিতে র‍্যাগিং: ১৩ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি, দুজন হল থেকে বহিষ্কার এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা শ্যামনগরে দরিদ্র নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে শেরপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা ‎সুন্দরবনে বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তাণ্ডব: ট্রলারসহ ৫ জেলে অপহৃত জাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন ৩০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা লালপুরে স্যালোচালিত গাড়ির ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত, চালক আটক ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুদ রাখায় একজনের কারাদন্ড দুইজনের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা *টেকনাফে র‌্যাবের পৃথক দুইটি অভিযানের একটিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশী এসএমজি উদ্ধার এবং অপর অভিযানে ৩২৭ রাউন্ড তাজা গুলিসহ নারী আটক* চন্দনাইশে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে ২৩ লাখ টাকার ডাকাতি চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশিপ (FDIDP) প্রজেক্টের স্টাফ ও সমাজ সেবার" যৌথভাবে (CBR) এপ্রোচ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের অভয়নগর ইউনিটের অফিস উদ্বোধন

পৃথিবীর যে চার নদীর 'উৎস' জান্নাতে

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 22-08-2025 08:38:18 am

এ নদীগুলো ইসলামের ঐতিহ্যকে সমুন্নত করেছে। © ছবি : সংগৃহীত।


সহিহ মুসলিমের হাদিসে চারটি নদী জান্নাতের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, পৃথিবীতে এমন ৪টি নদী প্রবাহিত হয়েছে, যেগুলো জান্নাতের নদীগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এ নদীগুলো শুধু ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তাদের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ইসলামের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।


সহিহ মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী, ফোরাত, নীল, সাইহান ও জয়হান- এই চারটি নদী জান্নাতের নদী হিসেবে চিহ্নিত। এই নদীগুলো কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, জান্নাতের আশীর্বাদস্বরূপ এক মহা নিদর্শন।


নীল নদ (মিশর): নীল নদটি সহিহ মুসলিমে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নীল ও ফোরাত জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে রয়েছে।’ (মুসলিম ১৬৪)


নীল নদীর ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সবচেয়ে বিখ্যাত সংযোগ হল নবী মুসা (আ.) এর গল্প। তার মা ফেরাউনের আদেশ থেকে তাকে রক্ষা করার আশায় একটি ঝুড়িতে রেখে নীল নদীতে ভাসিয়ে দেন, যা অবশেষে ফেরাউনের পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। মুসার নবী হওয়ার যাত্রা শুরু হয় সেখান থেকেই। মহানবী (সা.) মিরাজে গিয়ে জান্নাতের চারটি নদী দেখেছেন। দুটি বাহ্যিক ও দুটি আভ্যন্তরিক। বাহ্যিক নদী দুটি দুনিয়ায় প্রবহমান, নীল ও ফুরাত। (মুসলিম ১৬৪)


জয়হান নদী (তুরস্ক): সহিহ মুসলিমে জয়হান নদীকে জান্নাতের নদীগুলির মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীতে আমরা যে সব উপহার উপভোগ করি তা জান্নাতের অফুরন্ত দানের একটি ক্ষুদ্র ঝলক।


এ নদী পূর্ব তারাস পর্বতমালার নুরহাক পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে মিশেছে। এটি প্রাচীনকাল থেকে একটি প্রাকৃতিক সীমানা ও বিভিন্ন সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে পরিচিত ছিল। জয়হান নদীর ডেল্টা এর সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত, যা বিভিন্ন পাখির প্রজাতির আবাসস্থল ও সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাসস্থান সরবরাহ করে।

 

অন্য এক বর্ণনায় আছে, রসুলল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘(শামের) সাইহান ও জাইহান, (ইরাকের) ফুরাত এবং (মিশরের) নীল প্রত্যেক নদীই জান্নাতের নদ-নদীসমূহের অন্যতম। (মুসলিম ২৮৩৯)



সিহান নদী (তুরস্ক): সিহান নদী, যা সেরাস নামেও পরিচিত, সিলিসিয়া অঞ্চলের দীর্ঘতম নদী। এটি প্রায় ৫৬০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে।


প্রাচীন লেখকরা সিহান নদী সম্পর্কে বিশদভাবে লিখেছেন, এটি ঐ অঞ্চলের সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ নদীটি কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে গম, ভুট্টা, বার্লি, তুলা, ফল এবং সবজি চাষ করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ।


ফোরাত নদী (ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক): রসুলুল্লাহ (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, এক সময় আসবে যখন ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন করবে, এ নিয়ে মানুষ সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। তিনি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বলেছেন, ‘ফোরাত নদী সোনার একটি পাহাড় উন্মোচন না করা পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না। এ নিয়ে লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হবে, এবং একশ জনের মধ্যে নিরানব্বই জন নিহত হবে।’


৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে হুসাইন (রা.) এবং তার সঙ্গীদেরকে ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়ার বাহিনী ফোরাত নদীর পানি থেকে বিরত রাখে। 

আরও খবর

6a6eddbd05f6d-020826120341.webp
আজানের সময় কথা বলা যাবে?

২২ দিন ১৫ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে





6a0b39d358ff4-180526100955.webp
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

৯৮ দিন ৫ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে