জামালপুরের মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আদালতে ডাহা মিথ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার আনীত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অভিযোগকারীর কাছে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আজ বুধবার (১৩ আগষ্ট) সকাল ১০ থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টানা সাক্ষ্যগ্রহণ করেন অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ইমরুল হাসান। এনিয়ে অভিযুক্ত ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
এর আগে গত ৩ আগষ্ট অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জামালপুর পুলিশ কন্ট্রোলরুমের পুলিশ পরিদর্শক মো. গোলাম সারোয়ার তাঁর কার্যালয়ে অভিযুক্ত এসআই জাহিদুল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী মো. কাফিউলের কাছে সাক্ষ্য নেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে কাফিউলের ২২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাত করে পাশ্ববর্তী পূর্ব সুখনগরী গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে সানাউল্লাহ। এনিয়ে সানাউল্লাহকে আসামি দিয়ে কাফিউলের স্ত্রী মেরিনা বেগম গত ২৭ জানুয়ারি জামালপুর আদালতে মামলা করলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনার সত্যতা রয়েছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরে ছানাউল্লাহ মামলা প্রত্যাহার করতে কাফিউলসহ তাঁর পরিবারকে ভয়-ভীতির হুমকি দেয়। এনিয়ে ১০ মার্চ সানাউল্লার বিরুদ্ধে মেরিনা বেগম আদালতে আরও একটি মামলা করলে ইসলামপুর থানা-পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২৭ মার্চ কাফিউলের বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মনগড়া অভিযোগ তোলে আদালতে মামলা করেসানাউল্লাহ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল হাসান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সানাউল্লাহর পক্ষে আদালতে মিথ্যে প্রতিবেদেন দেন।
গত ৯ জুলাই আইনগত প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী কাফিউল জামালপুরের এসপি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তবে অভিযুক্ত এসআই জাহিদুর হাসানের দাবি, তিনি তদন্তে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন।
অভিযোগকারী মো. কাফিউল বলেন, 'আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ইসলামপুর সার্কেল অফিসারের কার্যালয় এসআই জাহিদুলের দুর্নীতির ঘটনায় লিখিত সাক্ষ্য দিয়েছি।'
ইসলামপুর সার্কেলের এএসপি মো. ইমরুল হাসান বলেন, 'এসআই জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অভিযোগকারীর লিখিত জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তদন্তে এসআই জাহিদুল দোষী প্রমাণিত হলে, কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরং তাঁকে শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে।'
২০ মিনিট আগে
২৬ মিনিট আগে
২৭ মিনিট আগে
৩৬ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে