সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ আজ সকাল ৯টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’ : প্রধানমন্ত্রী পিরোজপুরে চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও ট্যাক্সেস বার সভাপতিকে সংবর্ধনা বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা ডিসি সম্মেলন আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মিরসরাইয়ে আলোকিত মিরসরাই মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন শহিদুল ইসলাম (রানা) মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ উদ্বোধন বড়লেখায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫ সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন ‎মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত* লাখাইয়ে বোরোধান হারিয়ে কৃষক দিশেহারা,ঋণ নিয়ে কৃষকের আহাজারী। ‎সুন্দরবনের দস্যুদের মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এলেন ছয় জেলে শ্রীপুরে হুইল চেয়ার-শিক্ষাবৃত্তির চেক ও বাইসাইকেল বিতরণ গনভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সারা দেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী হালইসার সমাজ কল্যাণ সমিতির জেলাব্যাপী হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

পবিপ্রবিতে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) লোন শাখার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মোটরসাইকেল ও কম্পিউটার ক্রয় ঋণের কিস্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ব্যাংকে জমা দেওয়ার পরিবর্তে ভূয়া জমা স্লিপ দেখিয়ে তাঁরা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।


অভিযুক্তরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পেনশন সেলের উপপরিচালক মো. রাজিব মিয়া ও একই শাখার ল্যাব অ্যাটেন্ডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা। হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে পবিপ্রবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য জিপিএফের ১০% কর্তনের তহবিল থেকে রূপালী ব্যাংক পবিপ্রবি শাখার মাধ্যমে মোটরসাইকেল ও কম্পিউটার ক্রয় ঋণ চালু হয়। ঋণগ্রহীতারা শর্ত অনুযায়ী কিস্তি পরিশোধ করলেও অভিযোগ উঠেছে, ওই দুই কর্মকর্তা সেই টাকা জমা না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মসাৎ করেন।


সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ অডিটে হিসাবের গরমিল ধরা পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে ৩২ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামও এ ঘটনায় এসেছে, যাঁরা ঋণ পরিশোধের ভুয়া রশিদ পেয়েছেন। এর মধ্যে উপ-রেজিস্ট্রার (প্ল্যানিং) মো. খাইরুল বাসার মিয়া, পরিবহন শাখার সেকশন অফিসার সবুর খান, হেলপার আবু জাফর, ফটোমেশিন অপারেটর শামীম খান, অডিট সেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদা বেগম, অ্যাম্বুলেন্সচালক আলম ও বাজেট শাখার অফিস সহায়ক মাসুদ রয়েছেন।

ল্যাব অ্যাটেন্ডেন্ট আবু ছালেহ মো. ইছা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এটি আত্মসাৎ নয়, হিসাবের গরমিল। শিগগিরই তা ঠিক হয়ে যাবে। কারও টাকা হারাবে না।” অপর অভিযুক্ত মো. রাজিব মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “আর্থিক অসামঞ্জস্যের কারণে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা টাকা উদ্ধারের কৌশল নিয়েছি। টাকা উদ্ধার হওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও খবর