শ্রীমঙ্গলে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক টিটু দাশ সাময়িক অব্যাহতি, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুজিত রায় ‎মাদকের আগ্রাসন ঠেকাতে ডোপটেস্ট সনদ চালু সময়ের দাবি কুতু্বদিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের অসহায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে এভারগ্রীনের চতুর্থ ধাপের আর্থিক সহায়তা প্রদান লোহাগাড়ার সুখছড়িতে মোহাম্মদ ইসমাইলের ইন্তেকাল, এলাকায় শোকের ছায়া লোহাগাড়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সৌদি প্রবাসী ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের পুত্রসন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান সম্পন্ন সাতক্ষীরায় একই পরিবারের চারজনকে অচেতন করার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ লেখা আজকাল কেউ পড়ে না, লেখকও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে:- সাংবাদিক দলিলুর রহমান শ্যামনগরের চাউলখোলায় টেকসই বেড়িবাঁধ ও স্থায়ী রাস্তার দাবি শ্রীমঙ্গলে এনসিপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা নয় মাস পর একই কায়দায় লালপুর ভূমি অফিসে আবারও চুরি পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারাণ্য এলাকায় মাছ ধরার অভিযোগে চার জেলে আটক শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিজিবি কর্তৃক আটক ২১ গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আশাশুনির টেংরাখালী স্কুলের পাশের সড়কে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন মৌলভীবাজারে 'জীবন গড়ার ছড়া’র মোড়ক উন্মোচন শ্রীমঙ্গলে বাকপ্রতিবন্ধী কাদিরের মুখে হাসি, চা বিক্রির ভ্যান, সরঞ্জাম ও নগদ পুঁজি দিয়ে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ ব্যবসায়ী মতিনের লালপুরে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল জয়পুরহাটে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন আক্কেলপুরে নদীর সুইসগেট থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

সৈকতে থেমেছে ভাঙন, চলছে জিও টিউব বসানোর কাজ

কক্সবাজার সৈকতের ভাঙন ঠেকাতে বালুভর্তি জিও টিউব বাঁধ নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (বোর্ড)। গতকাল শনিবার দুপুরে ভাটার শুরু হলে সৈকত ভেসে ওঠে। এরপর শুরু হয় বাঁধের কাজ। এদিকে সমুদ্রের উত্তাল অবস্থা আগের চেয়ে কমায় সৈকতে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়নি।


বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির প্রভাবে চার দিন ধরে সমুদ্র উত্তাল হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৫—৬ ফুট উচ্চতায় বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলে আঘাত হানছে। এতে বিলীন হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কলাতলী থেকে শৈবাল পয়েন্ট পর্যন্ত চার কিলোমিটার বালুচর। ইতিমধ্যে সাগরে তলিয়ে গেছে সৈকতের পাশের কয়েক শ ঝাউগাছ, ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি তথ্যকেন্দ্র ও কয়েকটি দোকান।


সৈকতের ভাঙন রোধে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে লাবণী পয়েন্টে ৪০ মিটার বালুভর্তি জিও টিউব বাঁধ দেয় পাউবো। কিন্তু শুক্রবার সকালের জোয়ারের তাণ্ডবে সেই বাঁধ বিলীন হয়ে যায়। শনিবার বিকেলে ওই অংশে আবার জিও টিউব বাঁধের কাজ শুরু করে পাউবো কর্তৃপক্ষ।



বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে নেমে দেখা গেছে, সমুদ্রে ভাটা চলছে। জোয়ারের পানি নেমে যাওয়ায় সৈকতের ক্ষতবিক্ষত চেহারা ফুটে উঠেছে। সৈকতে রয়েছে পর্যটকসহ কয়েক হাজার মানুষ। সমুদ্রে না নামতে বালুচরে টাঙানো হয়েছে ১০টির বেশি লাল নিশানা। প্রচারণা চালাচ্ছেন ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সি সেফ লাইফ গার্ডের কর্মীরা। অথচ অধিকাংশ পর্যটক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তাল সমুদ্রে নেমে গোসল করছিলেন।


সৈকতে নামা পর্যটকের ৮০ শতাংশের বিচরণ সুগন্ধা পয়েন্টে। সেদিকের সৈকতে ভাঙন দেখা দেয়নি। নেই জিও টিউব বাঁধও। লাবণী পয়েন্টের আগের এক কিলোমিটারের ‘সুইমিং জোন’ এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। ভাঙা জিও টিউব বাঁধ এলোমেলোভাবে পড়ে থাকায় সৈকতের চিরচেনা চেহারা শ্রীহীন করে তুলেছে।


জানতে চাইলে সি সেফ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, গত শুক্রবার ছিল পূর্ণিমার পূর্ণাঙ্গ জো (ভরা কাটাল)। এ কারণে পানির উচ্চতা এবং তাণ্ডব দুটিই বেশি ছিল। গতকাল তাণ্ডব কিছুটা কমেছে। কমতে শুরু করেছে জোয়ারের পানির উচ্চতাও। এ কারণে গতকাল নতুন করে সৈকতের ভাঙন চোখে পড়েনি। দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শুরু হওয়া জোয়ার ছিল বেলা ১১টা পর্যন্ত। এরপর শুরু হয় ভাটা। রাত আটটার দিকে আবার জোয়ার শুরু হয়।



দু—এক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে উল্লেখ করে ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, সৈকতের চেহারা আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে কিছুদিন সময় লাগবে।


লাবণী পয়েন্টে বৃহস্পতিবার কিছু জিও টিউব বাঁধ হয়েছিল জানিয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সাঈদ বলেন, গতকাল আরও কিছু জিও টিউব বাঁধ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ মিটারের বাঁধ হচ্ছে। এতে লাবণী পয়েন্টের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। রোববার থেকে উত্তর দিকে সমিতি পাড়ায় আরও ১৫০ মিটার জিও টিউব বাঁধ নির্মাণ করা হবে। যার উচ্চতা দুই থেকে আড়াই মিটার। এ কাজে খরচ হবে ৩০ লাখ টাকা।


গত ৫০—৬০ বছরে বালিয়াড়িতে এমন ভাঙনের নজির নেই জানিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, পাউবোর অপরিকল্পিত জিও টিউব ও জিও ব্যাগভর্তি বালুর বাঁধের কারণে পুরো সৈকতের এমন ভাঙনদশা।


বালুর বাঁধ দিয়ে সৈকতের ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদ সভাপতি দীপক শর্মা। তিনি বলেন, সমুদ্রের ঢেউ ও স্রোতোধারা স্বাভাবিক নিয়মে চলে, বাধার সৃষ্টি হলে চালায় তাণ্ডব।

Tag
আরও খবর