ঢাকার উত্তরার স্বনামধন্য ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টারের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম চলমান ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেন " ফিজিওথেরাপিস্টদের জন্য বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল ( বি আর সি ) রয়েছে । এছাড়া ফিজিওথেরাপিস্টদের জন্য আন্তজার্তিক কর্নধার ওয়াল্ড ফিজিওথেরাপি এর অনুমোদিত সংগঠন বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন রয়েছে । এদেরকে বাদ দিয়ে বিএমডিসি কিভাবে একজন ফিজিওথেরাপিস্টদের চেম্বারে যায় , তাদের এই সাহস কে দিয়েছে ?
আমরা যদি তাদের এই অন্যায় এবং অপমানের প্রতিশোধ হিসেবে তাদেরকে ধরে নিয়ে এসে জেলে দিয়ে আসি , সেটা কেমন হয় ? কিভাবে একজন ম্যাজস্ট্রেট একজন প্রফেশনালকে কোন প্রুভেন ক্রাইম ছাড়া হাতকড়া পরিয়ে জেলে পাঠাতে পারে ? সে কি কারো ক্ষতি করেছে ? এমন প্রমান কি ম্যাজস্ট্রেট আর ওই সিভিল সার্জন দেখাতে পারবেন ? যদি দেখাতে না পারেন , তাহলে আপনাদেরকেও জেলে যেতে হবে । এই দেশ আর আইন আপনাদের বাপ জাদার সম্পত্তি নয় , এই দেশ সবার ।আইন পাওয়ার ক্ষেত্রে সব মানুষের সম অধিকার রয়েছে।
একজন ফিজিওথেরাপিস্ট এমনি এমনি হওয়া যায় না । ফিজিওথেরাপিতে গ্রাজুয়েশন শেষ করতে বর্তমানে ৬-৭ বছর লাগে । এর পর উচ্চশিক্ষা নিতে আরোও অনেক বছর । এইভাবে একজন প্রফেশনালকে হ্যান্ডকাফ পরানো , জেলে নেওয়া এবং তার পরিবার সমাজের কাছে ছোট করা মানে তাকে মেরে ফেলা । দেশবাসির কাছে আমরা এর যথোপযুক্ত বিচার চাই ।
বিএমডিসির আইন অনুযায়ী কোনভাবেই আপনি কোন ফিজিওথেরাপিস্টকে হয়য়ানি করতে পারেন না। কারণ ফিজিওথেরাপিস্টদের জন্য আলাদা কাউন্সিল বি আরসি আছে। ফিজিওথেরাপিস্ট অন্যায় করলে বিআরসি কাউন্সিল অনুযায়ী বিচার করতে পারেন। ব্রাহ্মণ বাড়িয়ার ঘটনা অত্যান্ত নিন্দনীয় ঘটনা। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএমডিসির পরোচনায় একটা প্রফেশন এবং প্রফেশনালকে যেইভাবে অপমান করেছেন। এটা ক্ষমার অযোগ্য। উনার ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার কোন যোগ্যতাই নেই। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভুয়া এই অভিযানে এই ম্যাজিস্ট্রেটের হীন অজ্ঞতা ঘৃন্যভাবে উঠে আসছে। এই ম্যাজিস্ট্রেটকে তার অপরাধের শাস্তি হিসেবে জেল এবং জরিমানা করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
১২ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে