*উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা ও একটি ইজিবাইকসহ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেপ্তার* বড়াইগ্রামে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাব যশোর নির্বাচন: দায়িত্ব নিল সাবু-আনিছ কমিটি, কার্যক্রম শুরু তৃতীয়তলায় চৌদ্দগ্রামে সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষ বিতরণ, উৎসাহিত শিক্ষার্থীরা ইউজিসি চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন পবিপ্রবির শিক্ষক ডাঃ আমির হামজা মাসুম প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ পীরগাছায় কালীগঞ্জ মাদকবিরোধী কমিটির তালিকা প্রশাসনের কাছে জমা ঈশ্বরগঞ্জে ১১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই নৈশ প্রহরী লাখাইয়ে কর্মরত সাংবাদিকদেরসঙ্গে নবাগত ইউএনও এর সাথে মতবিনিময় ও সদ্য বিদায়ী ইউএনও এর বিদায় লাখাইয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহেদ আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক। লালপুরে ৩০ পরিবারের বাড়িঘর নদী গর্ভে পরিবেশ রক্ষায় লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ: ফলজ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি ২০২৬ দৈনিক মজলুমের কণ্ঠের ৩২তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কাটা ও দোয়া অনুষ্ঠান বরিশাল কাউনিয়ায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবা-গাঁজা ও লাখো টাকাসহ আটক ৮ সংস্কারহীন সড়ক, দুর্ভোগে লোহাগাড়ার মানুষ আদমদীঘিতে বর্নাঢ্য আয়োজনে বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন আদমদীঘিতে সড়কে ছিনতাই কালে একজন আটক সান্তাহারে র‌্যাবের অভিযানে ১শ বোতল ফেয়ারডিলসহ দুই নারী আটক শার্শায় মিডিয়া অপপ্রচার রোধে প্রশাসন ও সুশীল সমাজের সমন্বয় সভা দিনাজপুরে শঙ্খধ্বনিতে মুখর ঢেপা নদী,নৌযাত্রায় কান্তজিউ বিগ্রহ

জুলাই অভ্যুত্থান বিরোধী ও জয় বাংলা শিক্ষক সমাজের সেক্রেটারি শিক্ষককে আটক জবিতে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কট্টর আওয়ামীপন্থী ও জুলাই অভ্যুত্থান বিরোধী শিক্ষক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসকে  আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।


আজ বুধবার (৫ মার্চ) জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন কাছে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য একটি আবেদনপত্র জমা দেয়ার জন্য জবি ক্যাম্পাসে আসেন তিনি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে থেকে আটক করে করা হয় অধ্যাপক মিল্টনকে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস ও  তার আত্মীয় পরিচয় আসা  জন সুশান্ত বিশ্বাস নামের জৈনক ব্যক্তিকে প্রক্টর অফিসে রাখা হয়েছে।


জানা গেছে, কট্টর আওয়ামীপন্থী বাংলা বিভাগের এই অধ্যাপক জয় বাংলা শিক্ষক সমাজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি ছিলেন।


প্রত্যক্ষদর্শী ও আটককারী শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাসের নামে দুইটি মামলা রয়েছে। এ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নিকট একটি চিঠি নিয়ে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার আত্মীয় পরিচয় দেয়া জন সুশান্ত বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি। এ সময় তিনি নিজেকে ছাত্রদল নেতা বলে পরিচয় দেন। তবে ছাত্রদলে তার কোনো পদ-পদবি নেই বলে জানা গেছে।


এ সময় নিজেকে ছাত্রদল নেতা পরিচয় দেয়া জন সুশান্ত বিশ্বাসের মোবাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আবু বকরের ফোন নাম্বার পাওয়া যায়। জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আবু বকর এবং সাবেক শিক্ষার্থী ও জবিসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা এম সুজাউদ্দিনের সুজা  ওরফে এম সুজাউল ইসলাম সঙ্গে যোগসাজশে ক্যাম্পাসে এসেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন।


এ বিষয়ে অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস বলেন, আমার নামে দুইটা মামলা আছে যে মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আমি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রইছ উদ্দিন স্যারের কাছে চিঠি দিতে এসেছিলাম। ক্যাম্পাসে কিভাবে এসেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের  এম সুজাউদ্দীন সুজা ও আলামিনের  সাথে যোগাযোগ করে এসেছি। 


এ বিষয়ে মিল্টন বিশ্বাসের সঙ্গে থাকা তার আত্মীয় পরিচয় দেয়া ব্যক্তি জন বলেন, আমি ছাত্রদলের কেউ নই। অধ্যাপক ড মিল্টন বিশ্বাসের সঙ্গে এসেছিলাম। আমার ভুল হয়েছে। 


গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক জিলন বলেন, ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী আবু বকরের সাথে জনি নামের একজন লোক সহ বাংলা ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাসকে ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি করতে দেখি। মিল্টন বিশ্বাসকে ধরার পর তার হাতে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য একটা দরখাস্ত দেখতে পাই। তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে দরখাস্ত রইছ উদ্দিন স্যারের কাছে নিয়ে আসছি। কার সাথে যোগাযোগ করে আসছে জিজ্ঞেস করলে সাংবাদিক সমিতির সাবেক সেক্রটারি মো: সুজা উদ্দিন সুজার নাম জানায়। মিল্টন বিশ্বাসের নামে দুটো হত্যা মামলা আছে।


এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, সে আমার কাছে মামলা বাতিলের জন্য আবেদন নিয়ে আসে। পরে আমি তাকে বলি এটা শিক্ষক সমিতির অফিসে জমা দিবেন। আমার এখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজামুল হক বলেন, যেহেতু তাকে প্রক্টর অফিসে রাখা হয়েছে সেহেতু সাধারণ শিক্ষার্থীদের সরে যাওয়া উচিত। আমি এখন ক্যাম্পাসে নেই। যদি কেউ অপরাধীদের সঙ্গে জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর






6a79616e705ce-100826112814.webp
এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

২৩ দিন ১১ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে