আশাশুনিতে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক উদ্ধারে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হলেন লাখাই থানার আবু কাউসার। চৌদ্দগ্রামে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দিল উপজেলা প্রশাসন বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার লালপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন বিদেশি ঋণ শোধে রেকর্ড, ৫ মাসে পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ২৪ ঘন্টায় ৯ জনের মৃত্যু বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি প্রকাশ করল বিসিবি যশোরের বাঘারপাড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত ‎মোংলায় স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে: ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল চার শতাধিক গোয়ালন্দে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন গোয়ালন্দে শিক্ষকতার পাশাপাশি পেঁপে চাষে সাফল্য দুই বিঘা জমিতে শাহী পেঁপের বাম্পার ফলন, ৫ লাখ টাকা বিক্রির আশা রায়পুরে আলমগীরের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন, গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বরিশাল নগরীতে বিসিসির বিশেষ অভিযান বাঘায় আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এই হোক অঙ্গীকার সাক্ষরতা সর্বজনীন অধিকার ঈশ্বরগঞ্জে সাক্ষরতা দিবসে র‌্যালি আলোচনা সভা কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ কিছুটা লোডশেডিং মেনে নেয়া উচিত: ডা. জাহেদ

শখের বসে ড্রাগন চাষে সফল কুতুবদিয়ার আনছার

দেশের বিভিন্ন উপজেলায়  ড্রাগন চাষ হলেও কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় শখের বসে প্রথমবারের মতো ড্রাগন  চাষেই বেশ সাড়া ফেলেছেন  আনছার। তার সফলতা দেখে অনেকেই এই  চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ড্রাগন চাষে সফল তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আনসারুল করিম। এই ফলে  রয়েছে ঔষধিগুণ। এছাড়াও বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় তিনি  এ চাষে আগ্রহী হন।

আনছারুল করিম  উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়ের উ:লেমশীখালী আনুমিয়াজির পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।পেশায় তিনি একজন মাদরাসা শিক্ষক,শিক্ষাকতার পাশাপাশি শখের বসে স্বপ্ন বুনেন ড্রাগন চাষে।

তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আনসার বলেন,২০২২সালে পরিক্ষামূলক  ১৮ টা চারা লাগিয়ে সফলতা পেয়েছি। এখন বানিজ্যিক ভাবে চাষ করার জন্য কাজ করতেছি, ৬ শতক জমিতে  ২০০/৩০০ চারা লাগিয়েছি।  নতুন এই চাষ পদ্ধতিতে  সরকারী সহযোগিতা পেলে আরও বড় পরিসরে চাষের পরিকল্পনা করব।

তিনি আরোও বলেন,বিভিন্ন মাধ্যমে এই ফলের  চাষ সম্পর্কে জেনে তারপর এই  চাষ করার পরিকল্পনা করি, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চারা সংগ্রহ করি। অতপর এর চাষ শুরু করি।চারা রোপনের ৭/৮মাসের মধ্যে ফল আসে, আমাদের এলাকায় এই ফলের চাষ পরিচিতি কম হওয়ায় অনেকেই কৌতুহল নিয়ে দেখতে আসেন। অনেকে আমার কাছ থেকে চারা কিনে নিতে চাচ্ছেন। বিভিন্ন জাতের ড্রাগন ফলের চাষ করতেছি।যেমন,তাইরেড,অরেঞ্জকিনা,কুলেরা,এই সবগুলো জাতের মধ্যে কোনোটি বেশি গোলাপী, সাদা,আবার কোনোটি লালচে রঙের। এর চাষ পদ্ধতি সাধারনত একটু ব্যাতিক্রম । এলাকায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ভালোভাবে পরিচর্যা করলেই বেশি ফলন ও লাভবান হওয়া সম্ভব।

ড্রাগন ফল  পাঁকার আগে সবুজ থাকে। যখন পাকতে শুরু করে তখন ধীরে ধীরে লাল হয়ে যায়। এর ফলে প্রচুর পরিমানে অ্যা’ন্টি অ’ক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর এতে থাকা ফাইবার হা’র্টকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ডায়া’বেটিসসহ আরো বেশ কয়েকটি রোগের প্রতিরোধে কাজ করে। তাই এই চাষ খুব দামি ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

এটি একটি উচ্চ মূল্যের ফলের জাত। এই উপজেলায় আনসার প্রথম চাষ করেছেন। এতে অধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে।এই ফলের দামও বেশি।

আরও খবর