ইসলামপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ পেট্রোলিয়াম ফুটবল ফেস্ট সিজন-৯ এর শিরোপা জিতল শ্যাডো স্ট্রাইকার্স গত ১৭ বছর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, বুলু নারী সেজে অনলাইনে প্রেম', পুরুষ হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করল প্রবাসী যুবক মুহূর্তের ঝড়ে মধুপুরে লণ্ডভণ্ড ৫৩ হেক্টর কলা-পেঁপের খেত নবীনদের পদচারণায় প্রাণ পেল দক্ষিণ নড়াইল শিমুলিয়া মহাবিদ্যালয় শ্যামনগর দেবীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এমএমএস ট্যাবলেট বিতরণ উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ কারো সুযোগে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা চিলমারীতে "চরে ইনক্লুসিভ কালচারাল ও স্পোর্টস ইভেন্ট" অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিপ্রবিতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে মারামারি, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোমারে যুব রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আধুনগরে অবৈধ করাতকলে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা ব্যাংকে বন্ধক থাকা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও সুন্নাহ অনুসরণের অঙ্গীকার নিয়ে 'ইকরামুল উম্মাহ্ ফাউন্ডেশন'-এর নতুন কমিটি গঠন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর সাময়িক বহিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আর নেই একজন"মাস্টার মশাই'' অধ্যাপক নূরুল ইসলামে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

শান্তিগঞ্জের গনিনগর স্কুলে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন, প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের গনিনগর ষোলগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জন করেছেন শিক্ষকরা। সোমবার ১১ নভেম্বর দুপুর ১২ টায় শিক্ষার্থীদের উশৃংখলতায় পাঠদানের সুষ্টু পরিবেশ নেই জানিয়ে ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে যান তারা। কোন ক্লাস ও রোলকল না নিয়ে অসময়ে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার প্রতিবাদে বিদ্যালয় ত্যাগ না করে বিক্ষোভ করেছেঅত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীরা। 


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরেই ঠিকমত ক্লাস না নিয়ে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে যান শিক্ষকরা।  এতে পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটছে। তবে শিক্ষকদের দাবী কয়েক মাস ধরেই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কোন নিয়ম কানুন না মেনে শিক্ষকদের সাথে নানা বাক বিতন্ডায় জড়াচ্ছেন এবং অনেকে অশোভন আচরণ করছেন। বিদ্যালয়ে  পাঠদানের পরিস্থিতি অবনতি থাকায় শিক্ষকরা পাঠদান থেকে সরে দাড়িয়েছেন।


খবর পেয়ে সোমবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় সকাল সাড়ে ১০ টা বাজলেও ক্লাস না করে শিক্ষার্থীরা স্কুল প্রাঙ্গনে জড়ো হয়ে হইচই করছে। এবং স্কুলের শিক্ষকরা ক্লাসে না গিয়ে শিক্ষক মিলনায়তনে বসে আছেন। এরপর দুপুর ১২ টায় ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন শিক্ষকরা। তবে ছুটির ঘন্টা বাজলেও বিদ্যালয় ত্যাগ না করে বিদ্যালয়ে অবস্থান করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। 


ক্লাস বর্জন করার বিষয়ে বিদ্যালয়ের সিনিয়ন শিক্ষক রথীন্দ্র কুমার দাশ সহ অন্যন্য শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীদের উশৃংখল আচরণ ও আক্রমণাত্বক মনোভাবের কারণে মান সম্মানের ভয়ে আমরা ক্লাস বর্জন করেছি। এর আগেও বার বার অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যরা শিক্ষার্থীদের বুঝালেও তারা এখনও আক্রমণাত্বক রয়েছে। যেকোন সময় ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে।  প্রকৃতপক্ষে এই মুহুর্তে স্কুলে ক্লাস নেওয়ার কোন পরিবেশ নেই। এই বিষয়গুলো আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।


অশোভন আচরণের কথা অস্বীকার করে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিমুল কান্তি দাশ, হুমায়রা আক্তার সহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, বিগত কয়েক মাস আগে নানা অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ এনে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক তদবির আলমের অপসারণ চেয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছিলাম আমরা। তখন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের দাবী মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও তা পূরন হয়নি।আন্দোলনের পর থেকে প্রধান শিক্ষক স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এরপর থেকেই শিক্ষকরা ঠিকমত ক্লাস না নিয়ে মনগড়া মত বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে যাচ্ছেন।  আজও তারা কোন ক্লাস না নিয়ে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে গেছেন।  তারা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে আনার পায়তারা করছেন যা আমরা কখনও মেনে নেব না। প্রধান শিক্ষক ব্যতিত অন্যান্য শিক্ষককের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নেই। আমরা এই দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক তদবির আলমের দ্রুত অপসারণ চাই।


নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের সাথে কথা হলে তারা জানান, মূলত বাহিরের কিছু গোষ্ঠীগত কোন্দল থেকেই স্কুলে এ বিশৃংখলা তৈরী হয়েছে। দিনদিন স্কুলের লেখাপড়া চরম বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে স্কুলের পাঠদানের সুষ্টু পরিবেশ তৈরীর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহ এলাকাবাসীর সচেতনতা প্রয়োজন।


মুঠোফনে কথা হলে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক তদবির আলম বলেন, এ বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে আনিত একটি অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের পর আমার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত আসবে আমি তা মেনে নিব।


এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুকান্ত সাহা বলেন, ক্লাস বর্জনের বিষয়ে আমার জানা নাই, তবে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে শুনেছি। কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

আরও খবর