শ্রীমঙ্গলে বাসতঘর থেকে দুর্লভ ‘আইড ক্যাট স্নেক’, উদ্ধার ফরিদপুরে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে রাতের অভিযানে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদপুর পৌরসভার শিক্ষাবৃত্তির তালিকা প্রকাশ, বৃত্তি পাবেন ১১শিক্ষার্থী অন্ধকার মাঠে কিশোরদের আড্ডা, শ্রীমঙ্গলে রাতের পরিদর্শনে ইউএনওর সতর্কবার্তা দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন বানিয়াচংয়ে নিখোঁজ ফারিয়ার সন্ধানের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আনন্দ মিছিল শান্তি ও সামাজিক সংহতিতে অবদানের স্বীকৃতি পেল হাসি মুখ ইয়ুথ এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না -আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি ‎ ‎দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোংলা বন্দর বণিক সমিতির নির্বাচনে প্রার্থীর ছড়াছড়ি, ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দীর্ঘ শূন্যতার অবসান: জাবিপ্রবিতে নতুন ট্রেজারার যোগদান বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি বাংলাদেশ-আজারবাইজান ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক লাখাইয়ে মুড়িকাটা পেয়াজ চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম এর উদ্বোধন। চন্দনাইশে নজরুল বর্ষ-২০২৬ প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশ ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বন্য হাতি সংরক্ষণ ও আয় বৃদ্ধিতে মৌমাছি চাষ বিষয়ক শিক্ষা সফর পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন গোয়ালন্দে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা। অভিযুক্ত আসামি গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

যে কারণে ডুবল কক্সবাজার

টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। ম্মরণকালের এ বন্যার জন্য অপরিকল্পিত উন্নয়ন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ধ্বংস, যত্রতত্র হোটেল-মোটেল তৈরিকে দায়ী করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ভবিষ্যৎ বন্যার হাত থেকে পর্যটন নগরীকে রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয়রা।


কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সভাপতি আবু নাসের হেলাল বলেন, ‘কক্সবাজারের মানুষ গত এক শ বছরে এ ধরনের বন্যা দেখেনি।


বন্যার কারণই হচ্ছে অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং নির্বিচারে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ধ্বংস করা। এতে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ’

তিনি বলেন, ‘আগামীতে বন্যা থেকে কক্সবাজার শহরকে রক্ষা করতে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। পানি নিষ্কাশনের ছড়া ও ড্রেনগুলো দখলমুক্ত করতে হবে।


কিছু কিছু এলাকায় নতুন করে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন করতে হবে। ’ স্থানীয়দের অভিযোগ- পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শহরটির প্রধান সড়ক ও সাগর পাড়ের কলাতলি এলাকা সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায়। সর্বশেষ টানা বৃষ্টিতে শহরের কমপক্ষে ২০টি সড়ক ও উপসড়কসহ গলি হাঁটু এবং কোমরপানিতে তলিয়ে গেছে। সাগরপাড়ের কলাতলি সড়কটি তলিয়ে যাওয়ায় হোটেল কক্ষেই আটকা পড়েন অনেক পর্যটক।

স্মরণকালের এ বন্যার জন্য অতিরিক্ত বৃষ্টিসহ কমপক্ষে ছয়টি কারণকে চিহ্নিত করেছে স্থানীয় সচেতন মহল।

যার মধ্যে রয়েছে- অপরিকল্পিত উন্নয়ন, যত্রতত্র হোটেল নির্মাণ, পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা, হোটেল শৈবাল এবং ঝাউতলা এলাকার ড্রেন ভরাট ও দখল। এ ছাড়া গোলদিঘী পাড়ের ড্রেন ভরাট ও দখল অন্যতম।


কক্সবাজারে সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে গত শুক্রবার। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ তোফায়েল হোসেন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা থেকে শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৫০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


এর আগে ২০১৫ সালের ২৪ জুন এক দিনে ৪৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। টানা বর্ষণে কক্সবাজার শহরের নিম্নাঞ্চলসহ অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। তলিয়ে যায় ব্যস্ততম ৫ কিলোমিটার প্রধান সড়ক ও সৈকত সড়ক। বাজারঘাটা, বড়বাজার, অ্যান্ডারসন রোড, টেকপাড়া, বার্মিজ মার্কেট এলাকা, বৌদ্ধ মন্দির রোড, গোলদিঘির পাড়, তারাবনিয়াছড়া ও রুমালিয়াছড়া এলাকার শতাধিক দোকান, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়। হাজার হাজার ঘরবাড়িও পানিতে তলিয়ে গেছে।

Tag
আরও খবর