কবিতা, প্রেম ও জীবনের দর্শন--‎কবি রবি ডাকুয়ার ভাবনায় মানুষের হৃদয়, অনুভূতি ও জীবনের বহুমাত্রিকতা সাংবাদিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ‎সত্যের পক্ষে কলম, মানুষের পাশে সাংবাদিক কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জি এম রবিউল্যাহ বাহারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান নাগেশ্বরীতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা দুলাল টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-২, আহত-৩ নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে ৩৯টি মনোনয়নপত্র জমা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি ৪১২ কোটি ডলার কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন পলাশে রিকের প্রকল্প সমাপনী ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত ও উন্নয়নমুখী অন্নদানগর ইউনিয়ন গড়তে চাই : চেয়ারম্যান প্রার্থী জিল্লুর রহমান প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন কাল, ব্যাপক প্রস্তুতি-উৎসাহ-উদ্দীপনা বাঁশখালীতে সরল ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ডে কোন প্রকার অনিয়ম হলে বরদাশত করা হবে না- এমপি ডা. জীবন শার্শার কায়বায় রাস্তার পাশের গাছ কাটার অভিযোগ, ভূমি অফিসের হস্তক্ষেপে বন্ধ মধুপুর প্রেসক্লাবের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে ড. মোজাম্মেল হোসাইনের মতবিনিময় সভা লালপুরে পদ্মা নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু পীরগাছায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের ৮৪তম শাখার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত ‎

বাদুড় কেন উল্টো হয়ে ঝোলে?

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 08-01-2024 11:34:48 pm

◾বুলা শরীফ : পাখিরাও উড়তে পারে। কিন্তু রাতের বেলা পাখিরা গাছের ডালে বসে ঘুমায়। বাদুড়ও উড়তে পারে। কিন্তু এরা আর দশটা পাখি বা প্রাণীর মতো গাছের ডালে বসে বা শুয়ে ঘুমায় না। এরা উল্টো হয়ে ঝুলে থাকে।


দিন কিংবা রাত—যখনই হোক বাদুড়রা যখনই বিশ্রাম নেয়, সোজা হয়ে বসে না, উল্টো হয়ে গাছে ঝোলে। কেন? প্রথম উত্তর হলো, বাদুড় উড়তে পারে বলেই তাদের জন্য উল্টো হয়ে ঝুলে থাকাটাই সুবিধার। কিন্তু পাখিও ওড়ে, ওরা কেন উল্টো হয়ে ঝোলে না?


আসলে বাদুড় পাখি নয়, প্রাণী। পাখির যে সুবিধা আছে বাদুড়ের সেই সুবিধা নেই। বাদুড় আসলে উড়তে সক্ষম ডানাবিশিষ্ট একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী। স্তন্যপায়ীদের উড়তে পারার কথা নয়—বিজ্ঞান সেটাই বলে।


এর একটা কারণ, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শারীরিক কাঠামো। প্রতি বর্গইঞ্চি দেহের যে ভর, সেই ভর নিয়ে আসলে আকাশে ওড়া যায় না। পাখিরা পারে, কারণ শরীরের আকারের তুলনায় ভর (চলতি কথায় ওজন) অনেক কম। বাদুড়েরও সমস্যা হওয়ার কথা ছিল উড়তে, কিন্তু হয়নি, তার কারণ দীর্ঘদিনের বিবর্তন প্রক্রিয়া। ওড়ার জন্য যে শারীরিক বাধাগুলো ছিল, বিবর্তনের মাধ্যমে বাদুড় সেগুলো কাটিয়ে উঠেছে।


পাখির ক্ষেত্রে তুলনামূলক ওজন যেমন কম, তেমনি মানানসই ডানার গঠন। ডানা কতটা ভার বইতে পারে, বাতাসে দেহটাকে কতটা সাপোর্ট দেয়, সেটার ওপর নির্ভর করে ওড়ার ধরন। পাখির ওজন আর ডানার গঠন এমন, সহজেই পায়ে ভর দিয়ে আকাশে উড়তে পারে। এক্ষেত্রে নিউটনের তৃতীয় সূত্র কাজে লাগাতে হয় পাখিকে।


এই সূত্র বলে— প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। ডালে বসে থাকার সময় পাখি যখন ওড়ে, তখন প্রথমেই পা দিয়ে ডালে ধাক্বা দেয়। পাখির পা যে বলে ডালকে ধাক্কা দেয়, ডালও সমান বল পাখির পায়ে ফেরত দেয়। সেই বলের সাহায্যে পাখি সামনে এগোয়। সামনে এগোনোর সময় পৃথিবীর মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পাখি নিচে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেটা ঠেকিয়ে রাখার জন্য ডানা মেলে দেয় পাখি। ডানা প্যারাস্যুটের মতো কাজ করে। তখনই পাখি ডানা ঝাপটায় এবং উড়তে শুরু করে। এটাকে বলে এয়ারলিফট।


একইভাবে প্রজাপতি, মৌমাছি, উইপোকা বা ফড়িংয়ের মতো কীটপতঙ্গরাও ওড়ে। বাদুড়ের পায়ের গঠন পাখি বা কীট পতঙ্গের মতো নয়। আগেই বলেছি অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতো বাদুড়ের শরীরও ভারী। এই ভারী শরীর নিয়ে মাটি বা ডাল থেকে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওড়া এদের পক্ষে সম্ভব নয়।


কিন্তু বাদুড়কে যদি একটা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঠিকই সে উড়তে পারবে। ওপর থেকে পড়তে পড়তে মাটিতে পড়ার আগেই ওড়ার জন্য তার ডানাকে প্রস্তুত করে নিতে পারবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে উড়তেও পারবে।


তার মানে শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য দাঁড়ানো অবস্থা থেকে উড়তে পারে না বাদুড়। তাই দাঁড়ানোর প্রয়োজনও হয় বাদুড়ের।


এজন্য গাছের ডালে উল্টো হয়ে গাছে ঝুলে থাকে। যখন ওড়ার দরকার হয়, তখন পেছনের পা দুটো ডাল থেকে ছেড়ে দেয়, গাছ থেকে মাটির দিকে পড়তে থাকে। তবে নিচে আছাড় খাওয়ার আগেই ডানা ঝাপটে ওড়ার শুরু করতে পারে।


দীর্ঘদিনের বিবর্তন প্রক্রিয়ায় বাদুড় এই ব্যাপারটাতে দক্ষ হয়ে উঠেছে। তাই ডাল ছেড়ে দেওয়ার পর খুব বেশি নিচে পড়তে হয় না। প্রায় সঙ্গেই সঙ্গেই ডানা প্রস্তুত করে উড়তে শুরু করে।


যেহেতু মাটিতে বা ডালে ধাক্কা মেরে ওড়ার কোনো সুযোগ নেই, আবার দাঁড়িয়ে বা বসে থাকারও কোনো দরকার নেই, তাই বাদুড়ের পাগুলোও দাঁড়ানো বা বসার জন্য উপযোগী নয়। 


এ কারণেই বাদুড়কে মাটিতে ছেড়ে দিলে পায়ে ভর দিয়ে বসতে পারে না, উড়তেও পারে না। তখন বেচারার মাটিতে ডানা ঝাপটানো ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। সুতরাং সব মিলিয়ে বাদুড়ের জন্য ঝুলে থাকাই সুবিধা।


বাদুড়ের পা যেহেতু পেছনের দিকে, তাই উল্টো হয়ে না ঝুলেও সোজা ঝোলার কোনো উপায় নেই। এভাবেই লক্ষ-কোটি বছর ধরে বাদুড় নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। এভাবেই ঘুম-বিশ্রাম— সবই করতে পারে।


বাংলাদেশে ১১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ীর মধ্যে এক-চতুর্থাংশই বাদুড়। এখানকার বাদুড় হলো ফ্লাইং ফক্স (Flying Fox) বা কলাবাদুড়, উড়ুক্কু স্তন্যপায়ীদের মধ্যে এটিই বৃহত্তম; ডানার মাপ ১.৫ মিটার, ধড় ৪০ সেমি, লেজহীন। এরা বট, আম, ছাতিম, রেইনট্রি, গগণশিরীষ, নারিকেল, তাল, সুপারি, খেজুর গাছে ও বাঁশঝাড়ে এক ডজন থেকে এক হাজার সংখ্যার একটি দলে থাকে; খায় আম, লিচু, পেয়ারা, কলা ও সফেদা।


লালচে কলাবাদুড় Rousettes leschenaulti আরেকটি ব্যাপক বিস্তৃত কিন্তু বিরল বাদুড়।


ফল্স ভ্যাম্পায়ার/ডাইনি বাদুড় Megaderma lyra এদেশের চামচিকাদের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে বড় মাথা ও ধড় ৯ সেমি, লেজহীন, খায় ক্ষুদে মেরুদণ্ডী ও কীটপতঙ্গ। গোধূলিতে এদেরই বেশি দেখা যায়।


চামচিকা Indian Pipistrelle, Pipistrellus coromandra শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বাদুড়ই নয়, সবচেয়ে ছোট স্তন্যপায়ীও, মাথা ও ধড় ৪.৫ সেমি, লেজ ৩.৫ সেমি, দেশের সর্বত্র দেখা যায় ও ব্যাপক বিস্তৃত স্তন্যপায়ী।


সূত্র: ন্যাশন্যাল জিওগ্রাফিক ও বাংলাপিডিয়া

আরও খবর


6a82d57801c14-170826033344.webp
এয়ারটেল এখন ‘সার্কেল’

৬৩ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে



6a68d73948e34-280726102217.webp
আইফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করল অ্যাপল

৮৩ দিন ১১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে


69f813c0cc28f-040526093424.webp
হোয়াটসঅ্যাপ থেকে করা যাবে মোবাইল রিচার্জ

১৬৮ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে