বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে তিস্তার পানি, প্লাবিত হতে পারে ১২ জেলার নিম্নাঞ্চল কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১১ নাকুগাঁও ও কাটাবাড়ীতে বন্যহাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্স কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ‎ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল: উপকূলীয় বাগেরহাটে চরম সংকটে মৎস্য খাত জয়পুরহাটে ট্রাক অটোরিক্সা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৫ ! ট্রাক চালক আটক আক্কেলপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু. পীরগাছায় ঋণ খেলাপির মামলায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিলমারীতে রোডেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হুইল চেয়ারে বিতরণ করা হয়েছে। শেরপুরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী ফুটবলারদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ ঝিনাইগাতীতে তিন ভিক্ষুক পেলেন দোকানের মালামাল, একজনকে দেওয়া হলো অটোরিকশা মাদারীপুরের কালকিনিতে সা*পের কা*মড়ে নারীর মৃ*ত্যু নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্স কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জন্মদিন শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা শেরপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাদকের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও কারাদণ্ড ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ পর হত্যার দায়ে জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড রায়পুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষের চারা বিতরণ আশাশুনিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত লাখাইয়ে ঝাড় ফুঁ নামে প্রতারণা, হাতিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা

কুতুবদিয়ায় প্রথম বারের মতো ড্রাগন চাষ : নতুন স্বপ্নের হাতছানি


দেশের বিভিন্ন উপজেলায়   চাষ হলেও কুতুবদিয়ায় প্রথমবারের মতো ড্রাগন  চাষেই বেশ সাড়া ফেলেন আনছার। তার সফলতা দেখে অনেকেই এই  চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ড্রাগন চাষে সফল তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আনসারুল করিম। এই ফলে  রয়েছে ঔষধিগুণ। এছাড়াও বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় তিনি  এ চাষে আগ্রহী হন।

আনছারুল করিম কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়নের উ:লেমশীখালী আনুমিয়াজির পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।পেশায় তিনি একজন মাদরাসা শিক্ষক,শিক্ষাকতার পাশাপাশি স্বপ্ন বুনেন ড্রাগন চাষে।

তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আনসার বলেন,২০২২সালে পরিক্ষামূলকভাবে  ১৮ টি চারা লাগিয়ে সফলতা পেয়েছি। এখন বানিজ্যিক ভাবে চাষ করার জন্য কাজ করতেছি, ৬ শতক জমিতে  ২০০/৩০০ চারা লাগিয়েছি।  নতুন এই চাষ পদ্ধতিতে  সরকারী সহযোগিতা পেলে আরও বড় পরিসরে চাষের পরিকল্পনা করব।

তিনি আরোও বলেন,বিভিন্ন মাধ্যমে এই ফলের  চাষ সম্পর্কে জেনে তারপর এই  চাষ করার পরিকল্পনা করি, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চারা সংগ্রহ করি। অতপর এর চাষ শুরু করি।চারা রোপনের ৭/৮মাসের মধ্যে ফুল হয় ফল আসে, আমাদের এলাকায় এই ফলের চাষ পরিচিতি কম হওয়ায় অনেকেই কৌতুহল নিয়ে দেখতে আসেন। অনেকে আমার কাছ থেকে চারা কিনে নিতে চাচ্ছেন এবং সুলভ মুল্যে বিক্রি করতেছি বিভিন্ন জাতের ড্রাগন ফলের চারা আছে যেমন,তাইরেড,অরেঞ্জকিনা,কুলেরা,এই সবগুলো জাতের মধ্যে কোনোটি বেশি গোলাপী, সাদা,আবার কোনোটি লালচে রঙের। এর চাষ পদ্ধতি সাধারনত একটু ব্যাতিক্রম । এলাকায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ভালোভাবে পরিচর্যা করলেই বেশি ফলন ও লাভবান হওয়া সম্ভব।

ড্রাগন ফল  পাঁকার আগে সবুজ থাকে। যখন পাকতে শুরু করে তখন ধীরে ধীরে লাল হয়ে যায়। এর ফলে প্রচুর পরিমানে অ্যা’ন্টি অ’ক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর এতে থাকা ফাইবার হা’র্টকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ডায়া’বেটিসসহ আরো বেশ কয়েকটি রোগের প্রতিরোধে কাজ করে। তাই এই ফল খুব দামি ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

এটি একটি উচ্চ মূল্যের ফলের জাত। এই উপজেলায় আনসার প্রথম চাষ করেছেন। এতে অধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে।এই ফলের দামও বেশি।

Tag
আরও খবর