২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদক কারবারি গ্রেফতার ২২৩ টাকা বেড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাওয়া তাড়াইলের গ্ৰামীণ সংস্কৃতি ডোমারে আনসার-ভিডিপির সঞ্জীবন প্রকল্পে সঠিক নির্বাচন ও বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা জাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের জন্য টার্নিটিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই বোনের পাটকেলঘাটা থানার নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি আশাশুনিতে সার ডিলার নিয়োগে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ, তদন্তের আবেদন লাখাইয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি হচ্ছে মোরগের কলিজা, পা ও মাথা,রয়েছে স্বাস্থ্যঝুকি। সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা, প্রত্যাহারের দাবি সাংবাদিক মহলের চিয়ড়া স্পোর্টস ফেডারেশনের মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন, টাইব্রেকারে বদরপুরের জয় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা জরুরি। সজিব হোসেনের কবিতা - অভ্যর্থনা গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ও বিক্ষোভ ডিসেম্বর সামনে রেখে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মনের ক্যান্সার

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 17-10-2023 04:17:52 am

© সংগৃহীত ছবি


টেবিলের এক কোনায় থাকা ফুলদানিটি সব সময় পড়ে যায় এবং প্রত্যেকবার একটু একটু করে ভেঙে যাচ্ছে। ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে ফুলদানিটি।

দোষ ফুলদানিটির নয়, যে ফুলদানিটি ব্যবহার করছে দোষ তার। কারণ ফুলদানিটি টেবিলের কোণায় না রাখলে তা ধ্বংসের মুখে পতিত হতো না।

আমি মনের ক্যান্সার হিসেবে তুলনা করছি। বর্তমান প্রজন্মের মোবাইল ফোনের অপব্যবহারকে সময়ের স্বাস্থ্যয়ের জন্য মানুষ আবিষ্কার করেছেন মোবাইল ফোন। অথচ মোবাইল ফোন মানুষের সময়কে ক্যান্সারের মতো তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আল ফ্রেড নোবেল- উচ্চু পাহাড় সমতল বানানোর জন্য। ডিনেমাইট আবিষ্কার করেছিলো। কিন্তু কয়েক বছর পর ডিনেমাইট এর ব্যবহার হয় মানব হত্যার প্রক্রিয়ায়। ঠিক মোবাইল ফোন আবিষ্কার ও যেন নোবেল এর ডিনেমাইট আবিষ্কারকে হার মানায়।


মানুষের জীবন পরিধির মূল্যবান বিষয়বস্তুর মধ্যে সময় সর্বশ্রেষ্ঠ মূল্যবান। অথচ মানুষ এই সময়কেই বেশি অপব্যবহার করেন। একটু কষ্টে থাকলেই সুখ হিসেবে মনে করেন ফেসবুকের ই স্টোরিকে। কেউ কোন ভাবে যথার্থ কথা বললেই সুখ খুঁজতে যায় tiktok এর ইমোশনাল ভিডিওতে। আসলেই কি জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ সবাই ফেসবুক মেসেঞ্জার আর টিকটক এর মধ্যে?

উত্তরেঃ হ্যাঁ।

সুখ সেখানে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদেরকে দাস বানিয়ে রেখেছে। প্রত্যহ ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুক এর নোটিফিকেশন চেক দিতে হবে। মেসেঞ্জারে কয়টা হাই-হ্যালো এসেছে সেগুলা রিপ্লাই দিতে হবে। বন্ধুদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে। লাইক দিতে হবে একটু বাড়াবাড়ি করতে হবে। নিজের ছবিকে সুন্দর ভাবে এডিট করে অন্যের সামনে তুলে ধরতে হবে। এইতো হল আমাদের বাস্তবতা। আসলে এর মাঝে কি কোন বাস্তবতা আছে?

পাঁচ বছর আগে যে বড় ভাই টা দিনে দুইটা ছবি আপলোড দিত সে বাস্তবতার সন্ধান পেয়ে ভুলে গেছে ফেসবুক নামের শব্দটি কে। যে মেয়েটা messenger এ রিপ্লাইয়ের পর রিপ্লাই দিত আজ সে সংসারের চাপ ও সন্তানদের ঝামেলায় বড্ড ব্যস্ত। এখন ওই বড় ভাই আর আপু বলে জীবনটা তখন প্রাণহীন খেলনার পুতুল ছিল। জীবনটা বড়ই আশ্চর্যের। ফোনের চার্জ শেষ না হলে যেমন ফোনে চার্জ দিতে চায়না ঠিক তেমনি মনটা ক্যান্সারে আক্রান্ত না হলে বুঝতে পারি না কোনটা ভালো ছিল কোনটা মন্দ ছিল। কোনটা ছিল ওষুধ কোনটা ছিল বিষ।

দিনশেষে নিজের হিসাব নিজেই খুজলাম, বের করলাম ফলাফল।

নিজের গলায় নিজে দড়ি লাগিয়ে বললাম হাস লাগলো কেনো?

নিজের বুকে নিজে অস্ত্র চালিয়ে বললাম কলিজা চিরে যায় কেন?

নিজের শ্বাসনালী নিজেই বন্ধ করে বলিলাম দম নিতে পারছি না কেন?

নিজের পায়ে নিজেই শিকল লাগিয়ে বললাম সামনে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল কেন?


লেখক: নাজমুস সাকিল