প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস-দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ ভারতের জুলাই অভ্যুত্থান দমনে ৩ লাখ গুলি ব্যবহার দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্যামনগরে আশি কেজি নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধব্বংস কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ৪৬ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ীসহ চোরাকারবারী আটক চুরি হওয়া মিনি ট্রাক নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার, আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার পটলের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পুতুলের মধ্যাহ্নভোজ রামগঞ্জগামী আল-আরাফাহ বাসের সঙ্গে ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১০ ছাড়িয়েছে ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি, দুপুরের মধ্যে হালকা বর্ষণের পূর্বাভাস সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের আজ সাবেক মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের ১০ মৃত্যু বার্ষিকী বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন রাবির ইয়াসিন আরাফাত বিজয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু দেশে আরেক দফা আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ শতভাগ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আল ইসরার এগিয়ে চলা সীমান্তে মাদকের ছড়াছড়ি, প্রতিরোধে উদয়ন ক্লাবের সচেতনতামূলক র‍্যালি প্রত্যাশা, চাপ ও সম্ভাবনা: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বর্তমান অবস্থা রাজবাড়ীতে ডিবির অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পর্ব-২

প্রথম দিকে এইদিনটিতে তারা শুধুমাত্র নবী(ﷺ) এর জন্ম ও জীবনকাহিনী স্মরণ করতেন এবং মানুষজনের খাওয়ার ব্যবস্থা করতেন। লক্ষ্যনীয় যে প্রথম দিককার সেই মিলাদে কিন্তু আজকের মত নবীর রূহের আগমন কল্পনা করে তার সম্মানে উঠে দাঁড়িয়ে ‘ইয়া নাবী সালামু আলায়কা’ বলা, জিলাপী বিতরণটাইপের ‘মিলাদ মাহফিল’ এমন কিছুই হত না। ছোট্ট বিদআত আস্তে আস্তে ডালপালা মেলে বিশাল আকার ধারণ করল, একেবারে “ঈদে” পরিনত হল। বিদআতী সুফীদের দ্বারা আস্তে আস্তে বিভিন্ন শির্কী আকিদাও এর সাথে যুক্ত হল— মিলাদ মাহফিলের সময়ে নাকি নবী(ﷺ) এর রূহ মোবারক সেখানে হাজির হয়[এই আকিদাটি খ্রিষ্টানদের বাইবেল থেকে ধার করা; দেখুনঃ বাইবেল, মথি(Matthew) ১৮:২০; খ্রিষ্টানরা তাদের নবীর উপর এমন মিথ্যা আরোপ করেছিল।] নাউযুবিল্লাহ।এদেশে দু’ধরনের মিলাদ চালু আছে। একটি ক্বিয়াম(দাঁড়ানো)যুক্ত, অন্যটি ক্বিয়াম বিহীন। ক্বিয়ামকারীদের যুক্তি হ’ল, তারা রাসূলের ‘সম্মানে’ উঠে দাঁড়িয়ে থাকেন। এর দ্বারা তাদের ধারণা যদি এই হয় যে, মিলাদের মাহফিলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর রূহ মুবারক হাযির হয়ে থাকে, তবে এই ধারণা সর্বসম্মতভাবে কুফরী।

মিলাদ উদযাপনকারীরা বলে থাকেন যে, মিলাদ বিদ‘আত হ’লেও তা ‘’বিদ‘আতে হাসানাহ’’। অতএব জায়েয তো বটেই বরং করলে সওয়াব আছে। কারণ এর মাধ্যমে মানুষকে কিছু বক্তব্য শোনানো যায়। উত্তরে বলা চলে যে, সলাত(নামাজ) আদায় করার সময় পবিত্র দেহ- পোশাক, স্বচ্ছ নিয়ত সবই থাকা সত্ত্বেও সলাতের স্থানটি যদি কবরস্থান হয়, মৃত কবরবাসীর ফায়েজ লাভের জন্য নামায পড়ে, তাহলে সে সলাত কবুলযোগ্য হয় না। কারণ এরূপ স্থানে সলাত আদায় করতে আল্লাহর নবী (ﷺ) নিষেধ করেছেন। রাসূল (ﷺ) -এর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঐ সলাত আদায়ে কোন ফায়দা হবে না। তেমনি বিদ‘আতী অনুষ্ঠান করে নেকী অর্জনের স্বপ্ন দেখা অসম্ভব। কলসি ভর্তি দুধের মধ্যে অল্প একটু গোবর পড়লে যেমন পানযোগ্য থাকে না, তেমনি সৎ আমলের মধ্যে সামান্য শিরক-বিদ‘আত সমস্ত আমলকে বরবাদ করে দেয়। 

হানাফী মাযহাবের কিতাব ‘ফাতাওয়া বাযযারিয়া’তে বলা হয়েছে, ﻣَﻦْ ﻇَﻦَّ ﺃﻥَّ ﺃﺭﻭﺍﺡَ ﺍﻷﻣﻮﺍﺕِ ﺣﺎﺿﺮﺓٌ ﻧَﻌْﻠَﻢُ ﻳَﻜْﻔُﺮُ - ‘যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মৃত ব্যক্তিদের রূহ হাযির হয়ে থাকে, সে ব্যক্তি কাফের’।
[মিলাদে মুহাম্মাদী পৃঃ ২৫, ২৯] 

অনুরূপভাবে ‘তুহফাতুল কুযাত’ কিতাবে বলা হয়েছে, ‘'যারা ধারণা করে যে, মিলাদের মজলিসগুলিতে রা্সুলুল্লাহ (ﷺ) -এর রূহ মুবারক হাযির হয়ে থাকে, তাদের এই ধারণা স্পষ্ট শিরক’। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) স্বীয় জীবদ্দশায় তাঁর সম্মানার্থে উঠে দাঁড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর ধমকি প্রদান করেছেন।
[তিরমিযী, আবু দাউদ; মিশকাত ৪৬৯৯ ‘আদাব’ অধ্যায়]

অথচ মৃত্যুর পর তাঁরই কাল্পনিক রূহের সম্মানে দাঁড়ানোর উদ্ভট যুক্তি ধোপে টেকে কি? 

‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক আমার নামে মিথ্যা হাদিস রটনা করে, সে জাহান্নামে তার ঘর তৈরী করুক’।
[সহীহ বুখারী ১১০] 

'‘তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, যেভাবে খ্রিষ্টানগণ ঈসা(আ) সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে।... বরং তোমরা বল যে, আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।’’
[সহীহ বুখারী ৩৪৪৫]

মিলাদ উদযাপনকারী ভাইদের মিথ্যা ও জাল হাদীস বর্ণনার দুঃসাহস দেখলে শরীর শিউরে ওঠে। সেখানে এই সব লোকেরা কেউবা জেনে-শুনে, কেউবা অন্যের কাছে শুনে ভিত্তিহীন সব কল্পকথা ওয়াযের নামে মিলাদের মজলিসে চালিয়ে যাচ্ছেন ভাবতেও অবাক লাগে। তারা নবী মুহাম্মাদ(ﷺ)কে নূরের তৈরি বলে মিথ্যাচার করেন। ‘নূরে মুহাম্মাদী’র আকিদা মূলতঃ আহলে কিতাব খ্রিষ্টানদের কিছু ফিরকা [Jehovah’s Witness খ্রিষ্টানরা ঈসা(আ)কে ফেরেশতা মনে করে] এবং হিন্দুদের অদ্বৈতবাদী ও সর্বেশ্বরবাদী আকিদার নামান্তর। যাদের দৃষ্টিতে স্রষ্টা ও সৃষ্টিতে কোন পার্থক্য নেই। এরা ‘আহাদ’ ও ‘আহমাদের’ মধ্যে ‘মীমের’ পর্দা ছাড়া আর কোন পার্থক্য দেখতে পায় না [নাউযুবিল্লাহ]। তথাকথিত মা‘রেফাতী পীরদের মুরীদ হলে নাকি মিলাদের মজলিসে সরাসরি রাসুল(ﷺ) -এর জীবন্ত চেহারা দেখা যায়। এই সব কুফরী দর্শন ও আকিদা প্রচারের মোক্ষম সুযোগ হল মিলাদের মজলিসগুলো। বর্তমানে সংবাদপত্র, রেডিও, টিভিতেও চলছে যার জয়জয়কার। 

Tag
আরও খবর

6a6eddbd05f6d-020826120341.webp
আজানের সময় কথা বলা যাবে?

৯ দিন ১৮ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে





6a0b39d358ff4-180526100955.webp
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

৮৫ দিন ৮ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে