নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে দায়িত্ব গ্রহণ করেই মাদকবিরোধী অভিযানে ওসি তামবিরুল ইসলাম, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক ক্রীড়াঙ্গণে রাজনীতি আসা উচিত নয়: মির্জা ফখরুল আইফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করল অ্যাপল বাংলাদেশ দলের ঘাটতি কোথায় বললেন সাকিব "নারী—ইসলামের আলোয় জ্যোতির্ময় মর্যাদার অমর কাব্য" কুলিয়ারচর পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করতে প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরিফুল আলমের ডিও লেটার বর্তমানে দেশের রিজার্ভ ৩৬.৪৫ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি সহযোগিতার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেছেন ও চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রায়’ হামলা কাশ্মীরে বিক্ষোভ দমনে গুলি, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ২০ জনের মৌলভীবাজারে ২৮ বছর পর হত্যা মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড, প্রতিষ্ঠিত হলো ন্যায় বিচার লালপুরে ওয়ার্কশপের শব্দদূষণের অভিযোগ, ইউএনও এর কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন শ্রীমঙ্গলে বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার জাতীয় ফুটবলের মঞ্চে লালপুরের ফারিহা মনি সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ব্লু-গার্ড দলের উদ্যোগ। পলাশে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা পীরগাছায় বেকার নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে ৮টি সেলাই মেশিন বিতরণ

গমের দাম কমছে না দেশের বাজারে

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 06-08-2022 03:13:18 am

ফাইল ছবি


নিউজ ডেস্ক: 


রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ইউক্রেন থেকে খাদ্যপণ্য রপ্তানি শুরু হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে কমতে শুরু করেছে গমের দাম। রপ্তানি শুরু ঘোষণার এক সপ্তাহের মাথায় প্রতি টন গমের দাম ৩০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে গমের দাম খুব একটা কমছে না।


এ বিষয়ে আমদানিকারকেরা বলছেন, ১০০ ডলারের পণ্যে ১০ ডলার কমলে দাম কমবে ১ হাজার টাকা। কিন্তু প্রতি ডলারের দাম যদি ১৫ টাকা করে বেড়ে যায়, তাহলে ১০০ ডলারে বেশি খরচ হয় ১ হাজার ৫০০ টাকা। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম কমার সুফল পাওয়া যাচ্ছে না দেশি বাজারে।


জানতে চাইলে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডলারের দাম স্থিতিশীল না হওয়ার আগপর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও এর সুফল দেশে পাওয়া যাবে না। ডলারের দাম ওঠানামা করার কারণে এখন আমদানিকারকেরা এলসি খুলতে ভরসা পাচ্ছেন না। এলসির সংখ্যা না বাড়লে দেশের বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমবে না।’


মাহবুবুল আলম আরও বলেন, ‘ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু হলেও এখন পর্যন্ত আমরা সুনির্দিষ্ট কোনো অফার পাচ্ছি না। তাই আমাদের দেশে কেউ এখনো ইউক্রেন থেকে পণ্য আমদানির সাহস করছেন না।’


ইন্ডেক্সমুন্ডির তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম ১২ শতাংশ কমেছে। মে মাসে প্রতি টন গমের দাম ছিল ৫২২ ডলার; যা জুন মাসে কমে দাঁড়ায় ৪৫৯ ডলারে। জুলাই মাসে গমের দাম আরও কমে যায়। বর্তমানে প্রতি টন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ ডলারে।




এদিকে দেশের অন্য বাজারে সুফল না পাওয়া গেলেও খাতুনগঞ্জে গম ও ছোলার দাম কমছে। আগে এলসি করা গম ভারত থেকে আসতে শুরু করায় গত এক মাসের ব্যবধানে খাতুনগঞ্জে গমের দাম কিছুটা কমেছে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর গমের দাম বাড়তে শুরু করে। এরপর মে মাসের মাঝামাঝিতে ভারত গম রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় দাম আরও বেড়ে যায়। তখন এক সপ্তাহের ব্যবধানে মণে দাম বেড়ে যায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।


মে মাসে ভারতের প্রতি মণ গম বিক্রি হয় ১ হাজার ৫৫০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। জুলাই মাসের শুরুর দিকে যখন ভারত থেকে আগের এলসি খোলা গম আসতে শুরু করে, তখন দাম কিছুটা কমতে থাকে। বর্তমানে খাতুনগঞ্জে প্রতি মণ ভারতীয় গম ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


জানতে চাইলে খাতুনগঞ্জের তৈয়্যবিয়া ট্রেডার্সের মালিক সোলায়মান বাদশা বলেন, গত মাসের তুলনায় বাজারে এখন গমের দাম কিছু কম। প্রতি মণ ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দামও কিছুটা কমেছে। ভালো মানের প্রতি মণ ছোলা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়। মাঝারি মানের প্রতি মণ ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। 


এসএ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজ্জাদ আরেফিন আলম বলেন, দেশের খাদ্যপণ্যের বাজার এখন একধরনের অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এলসি ওপেনিং, ডলারের সংকট ও সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে এলসির খোলার সংখ্যা কমে আসছে। এ কারণে এখন দেশের বাজার উল্টো ঊর্ধ্বমুখী। এক সপ্তাহে গমের দাম মণে ৪০ টাকা বেড়েছে। চিনির দাম বেড়ে গেছে মণে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। আমদানিকারকেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন, তাই বাজারের যেই স্বাভাবিক ধর্ম, সেটি কাজ করছে না। তিনি আরও বলেন, ‘আমদানি প্রবাহ যতক্ষণ না স্বাভাবিক হবে, তখন বাজার এ রকমই থাকবে। আমদানিকারকেরা যখন নিশ্চিত হবেন এলসি খোলার এক মাস দেড় মাসের মধ্যে পণ্য আসবে, তখন তাঁরা এলসি খুলবেন। নিয়মিত পণ্য আসা শুরু হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।’