দেওয়ানগঞ্জের ডাংধরায় ৮৮ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ১ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, নেতৃত্বে জয়নুল আবদিন ফারুক নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বৃহত্তর নোয়াখালীর রেল সেবার উন্নয়নে রেল সচিব কে নোয়াখালীবাসীর পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান মধুপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রোগী সেজে সোনার চেইন চুরি, এক্সরে করে পেটে শনাক্ত বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ীতে বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বাঘায় ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা এর শুভ উদ্বোধন ডিবি পরিচয়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ১২ লাখ টাকা ছিনতাই শ্রীমঙ্গলে কলার আড়ত থেকে উদ্ধার বিষধর 'সবুজ ফণিমনসা' সাপ বিএনপি হলো জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতিষ্ঠান : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু মামলা-আপত্তি সত্ত্বেও নামজারি করায় চন্দনাইশ এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ লাখাইয়ে ২টাকায় সিঙ্গারা,পেয়াজু, ৩০ বছর ধরে সুকময় দাসের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আক্কেলপুর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত. রামগড়ে বিএনপি'র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন স্বৈরাচার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে পালিয়েছে : ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাসের সেরা বাজেট দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে নতুন পে স্কেলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে, বিষয়টি এমন নয় : তথ্য উপদেষ্টা শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ‘সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের’

‎ ‎মোংলায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ 


‎বাগেরহাটের মোংলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাঁজাসহ গোপাল সরকার নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬।


‎বাগেরহাটের মোংলা থানা এলাকার দিগরাজ থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ গোপাল সরকার (৫২) নামক এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে বিশেষ এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের চৌকস দল দিগরাজ এলাকায় অবস্থান নিয়ে মাদক কারবারিকে ঘিরে ফেলে এবং তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ এই মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত গোপাল সরকার মোংলা থানার কাইনমারী এলাকার শ্যাম সরকারের ছেলে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে র‍্যাবের চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব নিশ্চিত হয়েছে যে, গোপাল সরকার দীর্ঘ দিন ধরেই মোংলা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি অবৈধ কারবার চালিয়ে আসছিলেন।


‎ঘটনার সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিধি মোতাবেক ৫০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়, যা এই এলাকায় মাদক বিস্তারের ভয়াবহতাকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মোংলার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে, যার ফলে যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত গোপাল সরকারের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদক পাচারের রুট এবং এর সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, শুধুমাত্র একজন খুচরা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করলেই মাদকের এই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়; বরং এর পেছনে থাকা মূল হোতা ও গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই মাদক কারবারের কারণে দিগরাজ এবং এর আশপাশের এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। মাদক ব্যবসায়ীদের এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও র‍্যাবের আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


‎র‍্যাব-৬-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত গোপাল সরকারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোংলা থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকসহ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। র‍্যাব কর্তৃপক্ষের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়, বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া যা অপরাধ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে স্থানীয়দের মতে, গ্রেফতারের পর আইনি জটিলতায় মাদক ব্যবসায়ীরা জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, যা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকা সত্ত্বেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখন এই মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মাদক সরবরাহের উৎসস্থল এবং এর সাথে জড়িত সিন্ডিকেটের প্রতিটি সদস্যকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে, যাতে করে অপরাধীরা পুনরায় জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সাহস না পায়।


‎এই অভিযানের মাধ্যমে মোংলা এলাকার মাদক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, ভবিষ্যতে পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় মাদক চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, মাদক ব্যবসায়ীরা এখনো স্থানীয় রুটগুলোকে তাদের নিরাপদ করিডোর হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক যাতায়াত ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর। যদি নিয়মিত তদারকি ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না যায়, তবে মাদক ব্যবসায়ীদের এই নেটওয়ার্ক মোংলাসহ পুরো বাগেরহাট অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করাই এখন সময়ের দাবি।

আরও খবর



‎সুন্দরবনে ঢুকতে বনজীবিদের সংশয়

১ দিন ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে