জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে : জ্বালানি মন্ত্রী হাম উপসর্গে ঝরে গেল আরো ৯ শিশুর প্রাণ, আক্রান্ত ১৩৪১ আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিটলুর কর্মী সমাবেশ মোংলা নদীতে ভালোবাসার ফুল ছিটিয়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন পাঁচবিবিতে শশা ক্ষেতে টানা বৈদ্যুতিক ফাঁদে যুবকের মৃত্যু বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতী গণসংযোগ সাংবাদিকতা কি অন্য সাংবাদিকের নিন্দা করার নাম? বারইয়ারহাট জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি আজাদ; সম্পাদক রাকিব ব্যক্তির উন্নয়ন নয় দেশের উন্নয়নে কাজ করে বিএনপি-নুরুল আমিন এমপি প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজে নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত পরকীয়ার অভিযোগে হামলায় গুরুত্বর আহত অভিযুক্ত, বাড়িতে আগুন দিল বিক্ষুব্ধ জনতা ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৩২ বরিশাল থেকে দেশজুড়ে ভ্রমণ-চার তরুণ উদ্যোক্তার হাত ধরে তৈরি হচ্ছে নতুন ট্রাভেল কমিউনিটি আজকের শিশুরাই আগামীতে পরিবার ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে - এমপি ডা. জীবন ‎মোংলায় ১৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে বাঙালি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ লাখাইয়ে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে মনের মাধুরী দিয়ে প্রতিমা তৈরি করেছেন কারিগররা। যাত্রাবিরতির দাবিতে মির্জাগঞ্জ স্টেশনে মানববন্ধন বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত : প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলেই পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন?

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম 

সড়ক দুর্ঘটনায় দায় কার? সড়কের, নাকি বেপরোয়া চালকের? প্রশ্নটা এখন আর তর্কের বিষয় নয়, বরং বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে এক নির্মম উত্তর খোঁজার বিষয় হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার দাবি বহুদিনের। জনসাধারণ বারবার রাস্তায় নেমে সেই দাবি জানালেও প্রতিশ্রুতি আর আশ্বাসের চৌকাঠ পেরিয়ে বাস্তবতায় পৌঁছায়নি তা আজও। অবকাঠামোর এই দুর্বলতা যেমন একটি বড় সমস্যা, তেমনি তার চেয়েও ভয়ংকর বাস্তবতা হলো রাস্তা থাকলেও যদি চালকের হাতে নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে সেই রাস্তা আসলে মৃত্যু-ফাঁদ ছাড়া আর কিছু নয়।

আজকাল সড়কে গাড়ি মানেই যেন প্রতিযোগিতা। কে কত দ্রুত মৃত্যু পৌঁছে দিতে পারে তার এক নীরব প্রতিযোগিতা। অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, আর বেপরোয়া চালনার ফলে প্রতিদিন ঝরছে প্রাণ। কখনো পথচারী চাপা পড়ছে, কখনো ছোট যানবাহনকে পিষে দিচ্ছে ভারী বাস-ট্রাক। যাত্রীরা উঠছে গন্তব্যে পৌঁছানোর আশায়, আর নেমে যাচ্ছে নিথর দেহ হয়ে, কিংবা অনেকেই আর নামতেই পারছে না।

কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া লোহাগাড়ার চুনতিতে দুই মারশা পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের মতো দুর্ঘটনা যেন এই অব্যবস্থারই ভয়াবহ ফল। কত পরিবার এক নিমিষে নিঃস্ব হয়ে গেল, কত স্বপ্ন থেমে গেল মাঝপথে তার হিসাব কে দেবে? ক্ষতিপূরণ কি সেই হারানো প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারে?

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় শোনা যায় চালকদের একাংশ নাকি মাদকাসক্ত অবস্থাতেও স্টিয়ারিং হাতে বসে যান। যদি এই অভিযোগের সামান্য সত্যতাও থেকে থাকে, তবে সেটি শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, সরাসরি হত্যার লাইসেন্স নিয়ে রাস্তায় নামার নামান্তর।

তাই প্রশ্নটা আজ স্পষ্ট, দোষ কি শুধুই সড়কের? নাকি সেই হাতগুলোর, যারা স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে নিয়ন্ত্রণের বদলে মৃত্যুকে ডেকে আনে? অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি, কিন্তু তার চেয়েও জরুরি চালকের শৃঙ্খলা, কঠোর আইন প্রয়োগ, এবং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

কারণ রাস্তা যতই উন্নত হোক, যদি চালকের মনোভাব বেপরোয়া থাকে, তাহলে সে রাস্তা উন্নয়নের নয়, বরং শোকের মিছিলের নাম হয়ে উঠবে।


Tag
আরও খবর