আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিটলুর কর্মী সমাবেশ মোংলা নদীতে ভালোবাসার ফুল ছিটিয়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন ডক্টর ডিগ্রি অর্জন করলেন কুতুবদিয়ার এ.কে.এম.সেলিম রেজা কুতুবদিয়ায় গত ৭ বছরে পুকুরে ডুবে ৩৯৭ শিশুর মৃত্যু পাঁচবিবিতে শশা ক্ষেতে টানা বৈদ্যুতিক ফাঁদে যুবকের মৃত্যু বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতী গণসংযোগ সাংবাদিকতা কি অন্য সাংবাদিকের নিন্দা করার নাম? বারইয়ারহাট জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি আজাদ; সম্পাদক রাকিব ব্যক্তির উন্নয়ন নয় দেশের উন্নয়নে কাজ করে বিএনপি-নুরুল আমিন এমপি প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজে নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত পরকীয়ার অভিযোগে হামলায় গুরুত্বর আহত অভিযুক্ত, বাড়িতে আগুন দিল বিক্ষুব্ধ জনতা ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৩২ বরিশাল থেকে দেশজুড়ে ভ্রমণ-চার তরুণ উদ্যোক্তার হাত ধরে তৈরি হচ্ছে নতুন ট্রাভেল কমিউনিটি আজকের শিশুরাই আগামীতে পরিবার ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে - এমপি ডা. জীবন ‎মোংলায় ১৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে বাঙালি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ লাখাইয়ে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে মনের মাধুরী দিয়ে প্রতিমা তৈরি করেছেন কারিগররা। যাত্রাবিরতির দাবিতে মির্জাগঞ্জ স্টেশনে মানববন্ধন বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত : প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলেই পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ছাত্রশিবির নেতাকে বর্বর নির্যাতন ফেসবুক পোস্টে বর্ণনা

২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি ফারহান শাহরিয়ার ফাহিম। তৎকালীন জেলা প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা এই ছাত্রনেতা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন ও লোমহর্ষক পোস্টে সেই রাতের পৈশাচিক নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরেছেন। ফেসবুক পোস্টে ফারহান শাহরিয়ার ফাহিম জানান, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই গভীর রাতে (রাত ১টার পর) দরজা ভেঙে একদল লোক তার ঘরে প্রবেশ করে। মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি করে তার চোখ ও হাত বেঁধে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। কথাবার্তা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি দেখে তিনি বুঝতে পারেন তাকে ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। ডিবি কার্যালয়ের চারদেয়ালের ভেতরের নির্যাতনকে ‘পরিচিত চিত্রনাট্যের সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়’ আখ্যা দিয়ে তিনি লেখেন, দুই হাত পেছনে হাতকড়া পরা অবস্থায় তাকে মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর মোটা লাঠি দিয়ে তার পায়ের তলায় এবং উরুতে নির্মমভাবে পেটানো হতে থাকে। প্রতিটি আঘাত বৈদ্যুতিক শকের মতো সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং তীব্র যন্ত্রণায় তার পা দুটো অবশ হয়ে আসছিল।শারীরিক এই নির্যাতনের পাশাপাশি ডিবি কার্যালয়ে তার ওপর চালানো হয় তীব্র মানসিক নিপীড়ন। অশ্রাব্য গালিগালাজ, কান ফাটানো ধমক আর হুমকির পাশাপাশি আন্দোলনের অর্থায়নের উৎস এবং মিছিলের পরিকল্পনা নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এমনকি অস্ত্রের মিথ্যা তথ্য দিয়ে জোরপূর্বক দায় চাপানোর চক্রান্তও চলে। ফাহিম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, নির্যাতনকারীরা ভেবেছিল পিটিয়ে শরীর ভেঙে দিলে হয়তো বিপ্লবের আগুন নিভে যাবে এবং মনোবল চুরমার হয়ে যাবে। কিন্তু এই পৈশাচিক নির্যাতনকে তিনি পরাজয় হিসেবে দেখেননি। শরীর অবশ হয়ে আসলেও মনে মনে অধিকার আদায়ের সেই পরিচিত স্লোগানই আওড়াচ্ছিলেন তিনি।কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অমানবিক ও বেআইনি আচরণের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই পোস্টটি এখন ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
আরও খবর