আশাশুনির বাঁকড়ায় সড়কের গাছ কেটে আত্মসাৎ ও বনায়নের ক্ষতির প্রতিকার প্রার্থনা দিনাজপুরে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে চরমদুষর্ভোগে বিহারীপাড়ার প্রায় ৩০০পরিবার ‎রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত কুতুবদিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু সৌদি আরবের আগেই ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে দেশের সব আদালত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরান যুদ্ধে ইরাকের তেল-বাণিজ্যে ধস গোয়ালন্দে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে পোস্টারিং ও নৌ-মিছিল।। এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‎সুন্দরবনে ফের অস্ত্রসহ দুই দস্যু গ্রেফতার, চার জেলে উদ্ধার ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর! অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট ২১ জেলার মানুষের দাবিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর আহ্বান জাবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট রায়পুরে ঘাট দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,আহত ৭ জন নেপালে ইতিহাস গড়লেন বানিয়াচংয়ের আমির উদ্দিন সাতক্ষীরায় ৫৬ ইউনিয়ন ভূমি অফিস সক্রিয় পীরগাছায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সম্মেলন

আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ ও স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা।

বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় একজন শিক্ষার্থী কিংবা কর্মজীবী মানুষের জন্য একটি আইডি কার্ড শুধু পরিচয়ের মাধ্যমই নয়, বরং জরুরি পরিস্থিতিতে তা হতে পারে জীবন রক্ষার একটি উপায়। বিশেষত, আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ এবং স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ থাকলে তা বহুমাত্রিকভাবে উপকারে আসে। শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডে অভিভাবকদের তথ্য সংযোজন করাও এ ক্ষেত্রে নানা সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।


যে কোনো দূর্ঘটনা, বিশেষত সড়ক দুর্ঘটনা; হঠাৎ অসুস্থতা কিংবা জরুরি কোনো অপারেশনের সময় অনেক সময় দ্রুত রক্ত প্রয়োজন হয়। এমন পরিস্থিতিতে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ উল্লেখ থাকে, তাহলে চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা সম্ভব হয়। অজ্ঞাত অবস্থায় কেউ অজ্ঞান হয়ে গেলে বা কথা বলতে না পারলে, এই তথ্য তার জীবন বাঁচাতে সহায়ক হতে পারে।


অন্যদিকে, স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ থাকলে তা পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং হারিয়ে গেলে বা জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে স্কুল বা কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি কোথাও হারিয়ে যায় বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনায় জড়ায়, তখন আইডি কার্ডে থাকা স্থায়ী ঠিকানা দেখে সহজেই তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। তাতে যদি কোনো স্বীকৃত অভিভাবকের যোগাযোগের নং/ঠিকানা উল্লেখ করা থাকে তা অনেকাংশে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।


বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষার্থী বা কর্মীর নাম, ছবি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে আইডি কার্ড তৈরি করে। কিন্তু এতে আইডির পূর্ণ কার্যকারিতা নিশ্চিত হয় না। তাই, সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উচিত প্রত্যেক সদস্যের আইডি কার্ডে নাম, ছবি, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এবং স্থায়ী ঠিকানা যুক্ত করা।


এছাড়া, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে QR কোডের মাধ্যমে এই তথ্যগুলো ডিজিটালি সংরক্ষণ করা গেলে আরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।


একটি আইডি কার্ড শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ের দলিল নয়, বরং এটি জরুরি সময়ের বন্ধু। তাই আমরা সবাইকে সচেতন হতে হবে। একটি পূর্ণাঙ্গ আইডি কার্ড শুধু নিয়ম নয়, এটি একটি নিরাপত্তার বিষয়। সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।


✍️ মাহাবুব কাউসার

সমাজকর্মী ও যুব সংগঠক।

Tag
আরও খবর
কুতুবদিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে




কুতু্বদিয়ায় ২৫ টি অটোরিকশা পুড়ে ছাই

১৬ দিন ৪ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে


উখিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো Bridge Builders’ Workshop ২০২৬

২১ দিন ২২ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে