শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ র‌্যাবের নাম বদলের বিল পাস দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী লাখাইয়ের বাজারে দেশিজাতের মাছের জন্য হাহাকার। ক্ষেতলালে কৃষক-উদ্যোক্তা সমাবেশ ও কৃষি স্কিম প্রচার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত পীরগাছায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলা কমিটি গঠন জাবিপ্রবির ব্যবস্থাপনা সমিতির নবনির্বাচিত ভিপি ইসমাঈল, জিএস সাফিন ঈশ্বরগঞ্জে প্রায় ২২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাইপণ্য আটক ॥ গ্রেফতার ২ ন‌ওগাঁর নিয়ামতপুরে বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ, একজন গ্রেপ্তার নালিতাবাড়ীতে কারিতাসের উদ্যোগে মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে জেলে নিখোঁজ নালিতাবাড়ীতে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ বাঘারপাড়ার অজপাড়া গ্রাম ধুপখালীতে বসে কন্টেন্ট তৈরি করে মাসে লক্ষ টাকা আয় করছেন আল আমিন হাসান জনি মাদ্রাসার শিক্ষা পরিবেশ দেখতে ছুটে গেলেন বরিশাল সিটি প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাসে নবনির্মিত মেইনগেট উদ্বোধন এমবিবিএস পাস করে চিকিৎসক, বাবার স্বপ্ন পূরণ করলেন সেতু ‎সুন্দরবন ধ্বংসের দায় ও বার্কলেস ব্যাংক: যুক্তরাজ্যের আদালতে ঐতিহাসিক অভিযোগ ও আইনি লড়াই সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ আরিফুল গ্রেপ্তার

জাতীয় স্লোগানে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের রুল

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 03-04-2023 09:33:31 am

‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে জারি করা গেজেট সংশোধন করে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।


আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম।


‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে জারি করা গেজেট সংশোধন করে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৩ এপ্রিল) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আদালতের আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূইঁয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।


এর আগে জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’র সঙ্গে জয় বঙ্গবন্ধু অন্তর্ভুক্তি চেয়ে রিটটি করা হয়। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, শিক্ষা সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূইঁয়াসহ ১৩ আইনজীবী এ রিট করেন।


এর আগে তারা সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, শিক্ষা সচিব বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়। নোটিশের পরও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এ বিষয়ে রিট আবেদন করা হয়।


নোটিশ পাঠানোর পর গত বছরের ২০ জুন এ বিষয়ে আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া জানিয়েছিলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান একইসঙ্গে উচ্চারিত হয়েছে। একই স্পিরিট নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। দুটি আলাদা কোনো স্লোগান নয়। একই স্লোগান।


এছাড়া ২০১৬ সালের ৩ মে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। এ দেশটি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। তাইতো মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাঙালির মুখে মুখে স্লোগান ছিল ‘এক নেতা একদেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান আমাদের জাতীয় স্লোগান।


তিনি আরও জানান, চলতি বছরে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে। আমরা চাই ওই গেজেট সংশোধন করে জয় বঙ্গবন্ধু অন্তর্ভুক্ত করতে।


সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে ‘জয় বাংলা’ কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।


ওইদিন বশির আহমেদ বলেছিলেন, জয় বাংলা হচ্ছে আমাদের জাতীয় প্রেরণার প্রতীক। পৃথিবীর ৬০টি দেশে জাতীয় স্লোগান আছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য যে আমরা আমাদের চেতনার সেই ‘জয় বাংলা’ স্বাধীনতার এতদিন পরেও জাতীয় স্লোগান হিসেবে পাইনি।


তিনি বলেন, জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, কোনো ব্যক্তির স্লোগান নয়। এটা হচ্ছে আমাদের ন্যাশনাল ইউনিটি। এ স্লোগান দিয়ে একদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।


এরপর রুল শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১০ মার্চ রায় দেন বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান (প্রয়াত) ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।


ওইদিন রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘জয় বাংলা জাতীয় ঐক্যের স্লোগান। জয় বাংলা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয় স্লোগান ও জয় বাংলা ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ’


আদালত আরও বলেন, আবেদনকারী সংবিধানের ৩ ও ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ধারাবাহিকতায় জাতীয় স্লোগান হিসেবে জয় বাংলাকে অন্তর্ভুক্ত করা দাবি করেছেন- এটা এই আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত। কারণ কোনো আইন প্রণয়ন করা এবং সংবিধান সংশোধন করার একমাত্র অধিকার জাতীয় সংসদের।


তবে রাষ্ট্রপক্ষ এ রুলের সমর্থনে হলফনামা দিয়েছেন উল্লেখ করে আদালত রায়ে বলেন, আইন সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান করায় একমত পোষণ করেছেন।


এরপর আদালত রায়ের আদেশ অংশ ঘোষণা করেন। আদেশে আদালত বলেন-

ক. আমরা ঘোষণা করছি যে, জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।


খ. সব জাতীয় দিবসগুলোতে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ এবং রাষ্ট্রীয় সব কর্মকর্তা সরকারি অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ যেন করেন, সে জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।


গ. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি সমাপ্তির পরে ছাত্র শিক্ষকগণ যেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করেন, তার জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।


এরপর চলতি বছরের ২ মার্চ ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

আরও খবর
6a99972f0cfc9-030926095007.webp
র‌্যাবের নাম বদলের বিল পাস

৩ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে