গলাচিপা প্রেসক্লাবের সভাপতি শংকর লাল দাশ, সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসান
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপার ঐতিহ্যবাহী গলাচিপা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ১৯৮৩ সালের গলাচিপা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ও প্রবীণ সাংবাদিক শংকর লাল দাশ। সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন একাত্তর টেলিভিশন ও দৈনিক কালবেলার গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি সাকিব হাসান।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় গলাচিপা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক দৈনিক আগামীর সময়ের গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি ও সহকারী অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন এবং সদস্য সচিব দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম মোল্লার স্বাক্ষরে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রকাশ করা হয়।
জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গলাচিপা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক শংকর লাল দাশ। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অভিজ্ঞ এই সাংবাদিককে এবার প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন একাত্তর টেলিভিশন ও দৈনিক কালবেলার গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি সাকিব হাসান। এর আগে তিনি একই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, জনদুর্ভোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও মানবিক বিষয়সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু গণমাধ্যমে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।
সাধারণ সভায় প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য ও মর্যাদা রক্ষা এবং গলাচিপার মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে গলাচিপা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গলাচিপা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। প্রবীণ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক শংকর লাল দাশের নেতৃত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসানের সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত কল্যাণের পাশাপাশি এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।