যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় এসএসসি’র জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন নারী শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সুফিয়া-মতিন মহিলা কলেজ- ডা. জীবন এমপি নিখোঁজের একদিন পর কলেজ শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার ইসলামপুরে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত যমজ দুই ভাই মাহী ও শাহীকে ক্রেস্ট দিলেন ইউএনও এয়ারটেল এখন ‘সার্কেল’ ‎মোংলায় দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের ঘোষণা: অর্থনৈতিক রূপান্তরের অপেক্ষায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নান্দাইলে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের সঙ্গে একাডেমিক সুপারভাইজারের মতবিনিময় শ্যামনগরে গাঁজা-ইয়াবা-ফেনসিডিল উদ্ধার জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে শৈলকুপায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নাগেশ্বরীতে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ, অতঃপর থানায় মামলা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু পীরগাছায় নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্‌যাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ *ক্যাম্পে স্ত্রী সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা ঢাকায় প্রধান আসামী র‍্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার।* নোয়াখালীতে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী কিশোরের মৃত্যু নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জনের কারাদণ্ড পলাশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপন যৌতুকের টাকা কম হওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার লোহাগড়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্ধোধন

‎মোংলায় দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের ঘোষণা: অর্থনৈতিক রূপান্তরের অপেক্ষায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ 


‎মোংলায় দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নৌপরিবহন ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।..


‎মোংলা নদীর ওপর দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার ১৬ আগস্ট বিকেলে মোংলা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় তিনি জানান, এই অঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামোকে আধুনিকায়ন করতে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করার প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে। মূলত মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে যে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তাকে ত্বরান্বিত করতেই এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মোংলাকে একটি পরিকল্পিত শিল্প ও বাণিজ্যিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সেতুটি নির্মিত হলে মোংলা বন্দরের সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সুগম হবে এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


‎স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মোংলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এসইজেড) কার্যক্রমকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরবর্তী ধাপে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলে আরও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই অঞ্চলের বেকারত্ব নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ সংবর্ধনা সভায় মন্ত্রীর কাছে মোংলার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, কেবল সেতু নির্মাণ নয়, বরং অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুবিধাগুলো যেন স্থানীয়রা দ্রুত ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।


‎সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে নেওয়া মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করবে না। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্থানীয় নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, মোংলার উন্নয়ন কেবল একটি প্রকল্পের ওপর নির্ভর করছে না, বরং বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। প্রশাসনিক ও কারিগরি পর্যায়ে যে সকল জটিলতা রয়েছে, তা নিরসনে দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সুশীল সমাজ। তাদের মতে, সরকারি প্রকল্পের সময়সীমা যেন কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব অবকাঠামোর কাজ দৃশ্যমান হবে এবং স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় রেখে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।


‎পরিশেষে, দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের এই উদ্যোগ মোংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা গেলে এই অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সফল বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত তদারকি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর। যদি এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে মোংলা বন্দর দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে এবং জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে।


আরও খবর





6a82d57801c14-170826033344.webp
এয়ারটেল এখন ‘সার্কেল’

৫ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে