কুলিয়ারচরে পূর্ব গাইলকাটা জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আকাশ-নিলয় একাদশ চ্যাম্পিয়ন দেওয়ানগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা শ্রাবণ কারাগারে নাগেশ্বরীতে ১৪০ স্বাস্থ্যকর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ: মা, নবজাতক ও কিশোর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জোর অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক কটিয়াদীতে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা শ্যামনগরে সাইবার ক্রাইম বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা ও কুইজ পত্নীতলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর যুব সেমিনার ২০২৬ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন বিদ্যুতের চাপ কমাতে ধামরাইয়ে ছাদে সোলার স্থাপনের উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত হলো অবহিতকরণ সভা লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ আহমেদ হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি। ধামরাইয়ে তিন বাড়ির ফটকে রহস্যজনক সামগ্রী, আতঙ্কে এলাকাবাসী এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন নাঙ্গলকোটে জটিল রোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা কমিটিকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ফুল দিয়ে বরণ পিকআপে বডিতে লুকানো ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ অনুসন্ধানী সাংবাদিক এহসান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, স্মারকলিপি পেশ, মামলা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দু-এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন ময়মনসিংহে রেলওয়ের জমিতে ১৮ তলা ভবন, বিপাকে ১০৫ জন শেয়ার হোল্ডার ঝিনাইগাতী সীমান্তে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় পোশাক জব্দ

অভয়নগরের আঞ্জুয়ারার কষ্টের শেষ নেই

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া ভৈরব সেতুর উপরে চোখে পড়ে  উপজেলার মসরহাটি গ্রামের আনজুয়ারা বেগমের বালি কুড়ানোর দৃশ্য। 


নওয়াপাড়া ভৈরব সেতুর উপর দিয়ে বিরামহীন ভাবে ছুটে চলেছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আর বিভিন্ন প্রকারের মানুষজন। যার যার প্রয়োজনে অবিরাম ছুটে চলা।কেউবা আবার ভালো পোষাক পরে ঘুরতে আসেন সেতুতে। দৃষ্টি পড়েনা জির্ণ পোষাকের অসহায় গরিবের দিকে।


কথা হয় তার সঙ্গে। অক্লান্ত পরিশ্রমী এই অসহায় নারী বলেন ব্রীজের উপর দিয়ে কয়লার গড়ি যখন যায় তখন গাড়ি থেকে গুড়ো কয়লা ঝরে পড়ে। পাঁচ সাত দিন পর পর  বালিসহ কয়লা জমা হয়। সেগুলো কুড়িয়ে নেট দিয়ে টুকে বহু কষ্টে কয়লা সংগ্রহ করতে হয়। পাঁচ প্যাকেট বালি বোঝাই করলে  ঝাড়ার পরে ২ পেকেট কয়লা পাওয়া যায়। অবশিষ্ট যে বালি পাওয়া যায় তা বিশ টাকাই এক প্যাকেট বিক্রয় হয়। আমার স্বামী অসুস্থ তাই আমি এই কাজ করি।  স্বামীর প্রসংসায়  তিনি বলেন আমার স্বামী ভাল থাকতে এমন কষ্ট আমার কোন দিন করতে হয়নি, দোয়া করেন সে যেন ভালো হয়ে যায়। এক বছর যাবৎ এই ভাবে কাজ করছি ৬ হাজার টাকা লাগবে চিন্তাই দিশেহারা হয়ে যাচ্ছি। একটা ছেলে আছে  ৭ বছর বয়স।তিনি আরো জানান শুধু  এ জায়গাই নয় বিভিন্ন যায়গায় দূর দূরান্তে  চলে যায় কয়লা সংগ্রহে। এখানে একসপ্তাহ বালি কুড়াবো আবার এক সপ্তাহ পরে আবার আসবো।মাঝে মধ্যে মিলে আবার বাসা বাড়িও  কাজ করে সংসার চালাতে হয় তার।কে রাখে কার খবর এভাবেই চলে আঞ্জুয়ারার জীবন।

আরও খবর