মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম
পাহাড় সবসময়ই মানুষের মনে এক অদ্ভুত টান সৃষ্টি করে। শহরের কোলাহল, ধুলাবালি আর যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ছুটে যায় পাহাড়ের কোলে। তেমনি একজন ভ্রমণ পিপাসু মানুষ জসিম উদ্দিন। তিনি রাজনীতিবিদ এর পাশাপাশি একজন সরল মনের মানুষ ও ভ্রমণ পিপাসু। তবে পাহাড়ে তার টান বেশী। যদিও তার জন্ম পাহাড়ে নয়, বরং লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নে জনবহুল এলাকায়। তার কাছে পাহাড় শুধু ভ্রমণের জায়গা নয়, বরং এক ধরনের অনুভূতি, এক ধরনের প্রশান্তি।
জসিম উদ্দিনের জীবনটা একঘেয়ে নয়। বরং সাদাসিধা সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে খোলা মনে মিশতে অভ্যস্ত। তেমনি প্রকৃতির সাথে মিশতে তার খুব ভালো লাগে। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষ যত বেশি প্রকৃতির কাছাকাছি যাবে, তত বেশি নিজের ভেতরের শান্তিকে খুঁজে পাবে। তাই সুযোগ পেলেই তিনি লাল রঙ্গের গাড়ী নিয়ে তার বন্ধু নোমান, মেজবাহ উদ্দীন সহ আরো বহু বাল্যবন্ধু নিয়ে রওনা দেন পাহাড়ের পথে। কখনও নীল পাহাড়, কখনও বান্দরবানের মেঘছোঁয়া চূড়া,সবুজ উপত্যকা। সবখানেই তার পদচিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়।
তার কাছে পাহাড় মানে শুধু উঁচু-নিচু ভূমি নয়, বরং জীবনের গভীর শিক্ষা। পাহাড়ের নীরবতা তাকে শেখায় ধৈর্য, আর সবুজ বন তাকে মনে করিয়ে দেয় জীবনের সরলতা। শহরের ব্যস্ত জীবনে মানুষ যেখানে মানসিকভাবে ক্লান্ত, সেখানে পাহাড় জসিম উদ্দিনকে দেয় নতুন করে মানসিক শক্তি। তবে বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় আসামী থাকায় হয়রানির শিকার হয়েছেন এই ভ্রমন পিপাসু মানুষটি । যেহেতু তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বি এন পি) এর রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত।
ভ্রমণের সময় তিনি শুধু ছবি তোলেন না, বরং প্রতিটি মুহূর্তকে হৃদয়ে ধারণ করেন। পাহাড়ি পথের বাঁক, মেঘের ভেলা, ঝরনার শব্দ। সবকিছুই তার কাছে একেকটি জীবন্ত কবিতা। তিনি বলেন, “পাহাড় আমাকে ডাকে, আর আমি সেই ডাকে সাড়া দিই।”
আজকের এই দ্রুতগতির পৃথিবীতে রাজনীতিবিদ জসিম উদ্দিনের মতো মানুষ আমাদের শেখায়, জীবন শুধু দৌড় নয়, মাঝে মাঝে থেমে প্রকৃতিকে অনুভব করাও জীবনের অংশ।
২ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৩ দিন ২১ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৫ দিন ১৭ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৭ দিন ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৭ দিন ১৯ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৭ দিন ১৯ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে