দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা পূরণে আশার আলো
আবু তালেব' লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :
আজিমনগর রেলস্টেশনে থামবে চিলাহাটি এক্সপ্রেস, উচ্ছ্বসিত লালপুরবাসী
লালপুর ( নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশন। স্থানীয় জনগণের দাবি ও প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে ঢাকা-চিলাহাটি রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের আজিমনগর স্টেশনে যাত্রাবিরতির বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে লালপুরবাসীর মাঝে আনন্দ ও স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এই স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, আজিমনগর রেলস্টেশনটি লালপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। কিন্তু আন্তঃনগর ট্রেন না থামায় তাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালু হলে যাতায়াত হবে সহজ, সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।
এ সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা, রেল মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ এবং এলাকার মানুষের দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপনের ফলেই এই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত এসেছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
লালপুরের সচেতন মহল বলছে, শুধু একটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি নয়—এটি পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ আরও গতিশীল হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আনন্দ প্রকাশ করছেন লালপুরবাসী। অনেকে এটিকে “দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ” হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, খুব দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রাবিরতির সময়সূচি ঘোষণা করে আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি কার্যকর করা হবে। এতে লালপুরবাসীর বহুদিনের কষ্ট লাঘব হবে এবং উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।