বেগমগঞ্জে স্বাস্থ্য পরিবহন শ্রমিক দিয়ে হামের টিকা প্রদান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি।
রিপন মজুমদার জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হামের ক্যাম্পে পরিবহন শ্রমিক (পোটার) কে দিয়ে টিকা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ফলে ঐ ক্যাম্পে টিকা নেওয়া প্রত্যেক শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকির শঙ্কা রয়েছে।
বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী ও ১৬টি ইউনিয়নে ২০ এপ্রিল থেকে শিশুদের হামের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। সেমতে ৮নং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের আমানতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাম্পে বৃহস্পতিবার শিশুদের টিকা দেওয়া হয়। উক্ত ক্যাম্পে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী লিলি সুলতানা নিজে টিকা না দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের অনিয়মিত পরিবহন শ্রমিক (পোটার) ফারুক আল মাহি কে দিয়ে শতাধিক শিশুকে টিকা প্রদান করেন। এসময় শিশুদের অভিবাবকরা বহিরাগত লোক দিয়ে টিকা দেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি করলে স্বাস্থ্য সহকারী লিলি সুলতানা বিষয়টি এড়িযে গিয়ে শুধু বলছে তার ও অনেক অভিজ্ঞতা আছে কোন সমস্যা হবে না।
স্বাস্থ্য সহকারী লিলি সুলতানা বলেন, টিকা দেওয়া লোকটি আমাদের পরিবহন শ্রমিক (পোটার)হলেও সে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করতে করতে বহু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আমি ছাড়াও অতীতে তাকে দিয়ে আমাদের ষ্টাফরা টিকা প্রদান সহ অনেক স্বাস্থ্য সেবা কাজে ব্যবহার করেছে। আমি করলে অনেকে দোষ খোঁজে। সমালোচকরা সবকিছু ভালো দিকের বিপরীত অবস্থান নিয়ে থাকে।
একজন এম বি বি এস ডাক্তার জানান, প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা সার্টিফিকেট ধারী স্বাস্থ্য সহকারী ছাড়া শিশুদের টিকা প্রদান করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারন এসব টিকা শিশুদের চামড়ার নিচে পুশ করতে হয়। কোন কারনে চামড়া পেরিয়ে ইনজেকশন মাংশ বা হাড়ে আঘাত লাগলে এতে শিশুদের প্রচন্ড জ্বর এবং ঐ স্থানে ক্ষত বা পচন সৃষ্টি হয়ে শিশুদের মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসান খায়ের চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমাকে অনেকেই অবগত করেছেন, আমি ঘটনা শুনে মর্মাহত হয়েছি। কারন কোন পরিবহন শ্রমিক (পোটার) টিকা দিতে পারে না। প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা টিকা দিলে শিশুর স্বাস্থ্য ঝুকি কম থাকে। ঘটনাটির ব্যাপারে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১৪ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে