লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৫নং চরপাতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঠাকুর বাড়ী এলাকায় জমি দখল করে মন্দির স্থাপনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জমির মালিকানা নিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও এক পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী কাজল চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, মন্দিরের পুরোহিত ও কমিটির কয়েকজন সদস্য তার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মন্দির সম্প্রসারণের নামে গভীর রাতে জমি দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় এবং তার ছেলেকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে গোপাল গিরিধারী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুমন সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ব্রাহ্মণ সচিবালা দেবী দানকৃত প্রায় সাড়ে ৮ শতক সম্পত্তির ওপর ১৯৯৫ সালে গোপাল গিরিধারী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সম্পত্তির একটি অংশ বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট প্রায় সাড়ে ৭ শতক জমি এখনও মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে রয়েছে। ওই জমি নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাজিব বণিক বলেন, “এটি মন্দিরের জায়গা। মন্দিরের জায়গা যেন মন্দির ফিরে পায়।”
সংবাদ সংগ্রহের সময় ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “হাতাহাতির ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়রা বলছেন, জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন, যাতে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা যায়।
২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে