২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছরে ঋণের আসল ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করে বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়। সেই বরাদ্দ থেকেই নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে ঋণ পরিশোধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।
একই অধিবেশনে অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতিতে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের সমঝোতার সুযোগ নেই।’
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আর্থিক শৃঙ্খলা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি।
ব্যাংক খাতে অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা ঋণ নিয়ে পলায়ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং অর্থ উদ্ধারে সরকার দেশ-বিদেশে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে যৌথ তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং একাধিক দেশে আইনি সহায়তার জন্য অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। এ প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার আশাবাদী, ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।
২ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৭ দিন ১২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৮ দিন ২২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৯ দিন ৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
১১ দিন ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১৫ দিন ৮ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১৭ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
১৮ দিন ১ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে