ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের পুরোনো দিঘা বিলটি নিশ্চিহ্নের পথে সংযোগ খালটি বন্ধ থাকায়। তাই সংযোগ খালটি খনন করে বিলটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটি হাড়িশ^র গ্রামের একটি মাঠ থেকে শুরু হয়ে পাশর্^বর্তী হারুয়া, দরগাপাড়া, তুলিয়াটি ও মালিয়াটি গ্রামের চার কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে টাংগনগাতি গ্রামের দিঘা বিলে গিয়ে মিলিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষাকালে আশপাশের গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে গ্রামের ধানের জমি, শতশত পানের বরজ ও পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন কৃষকরা। তাই এই খাল খননের জোড় দাবী জানিয়েছেন গ্রামের কৃষকরা। বিশেষ করে টাংগনগাতি গ্রামে দিঘা বিলের সংযোগস্থলের কাছাকাছি সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া খাল দখল ও ভরাটের মাধ্যমে পাড় উঁচু করে একটি পুকুর খনন করেছেন। এতে দিঘা বিলের সংযোগস্থল থেকে খালটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। টাংগনগাতি গ্রামের আবুল কালাম (৮০) বলেন, ৪০ বছর আগেও এই খাল দিয়ে আমরা নৌকা চালিয়ে কৃষিপণ্য নিয়ে যেতাম। তখন ২৪ থেকে ২৫ ফুট প্রসস্ত ছিল খালটি। কিন্তু এখন খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা, দখল ও মাটি ভরাটের কারণে টাংগনগাতি-দরগাপাড়া, তুলিয়াটি, মালিয়াটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শতশত একর ফসলি জমি হয়ে পড়ে পানিবন্দি। টাংগনগাতি গ্রামের উজ্জল মিয়া (৩৫), শফিকুল ভূইয়া (৪০), আঃ হেলিম ভূইয়া (৬০) ও হেলাল উদ্দিন বলেন, খালের মুখে পুকুর দেওয়ায় আমাদের পানের বরজে পানি উঠে বরজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিবারই আমাদের অনেক টাকার ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন সিএস জরিপে খালের নাকশা রয়েছে তাই দখল উচ্ছেদ করে খালটি পুনরায় খনন করা জরুরি। সংযোগস্থলে পুকুর দিয়ে জলাবদ্ধতা তৈরী সম্পর্কে জানতে চাইলে সাবেক ইউপি মেম্বার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মাসুদ বলেন, খাল আগে থেকে ভরাট ছিল। যদি খাল খনন করে তাহলে আমরা পুকুর পাড় সরিয়ে নিবো। আমরাও চাই খালটি খনন করা হোক।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে