বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত : প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলেই পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের কড়া সতর্কবার্তা শ্রীমঙ্গলে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক টিটু দাশ সাময়িক অব্যাহতি, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুজিত রায় ‎মাদকের আগ্রাসন ঠেকাতে ডোপটেস্ট সনদ চালু সময়ের দাবি কুতু্বদিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের অসহায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে এভারগ্রীনের চতুর্থ ধাপের আর্থিক সহায়তা প্রদান লোহাগাড়ার সুখছড়িতে মোহাম্মদ ইসমাইলের ইন্তেকাল, এলাকায় শোকের ছায়া লোহাগাড়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সৌদি প্রবাসী ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের পুত্রসন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান সম্পন্ন সাতক্ষীরায় একই পরিবারের চারজনকে অচেতন করার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ লেখা আজকাল কেউ পড়ে না, লেখকও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে:- সাংবাদিক দলিলুর রহমান শ্যামনগরের চাউলখোলায় টেকসই বেড়িবাঁধ ও স্থায়ী রাস্তার দাবি শ্রীমঙ্গলে এনসিপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা নয় মাস পর একই কায়দায় লালপুর ভূমি অফিসে আবারও চুরি পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারাণ্য এলাকায় মাছ ধরার অভিযোগে চার জেলে আটক শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিজিবি কর্তৃক আটক ২১ গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আশাশুনির টেংরাখালী স্কুলের পাশের সড়কে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন মৌলভীবাজারে 'জীবন গড়ার ছড়া’র মোড়ক উন্মোচন শ্রীমঙ্গলে বাকপ্রতিবন্ধী কাদিরের মুখে হাসি, চা বিক্রির ভ্যান, সরঞ্জাম ও নগদ পুঁজি দিয়ে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ ব্যবসায়ী মতিনের

৫ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে উত্তরপত্রের সঠিক মূল্যায়ন চেয়ে ববি শিক্ষার্থীর অনশন


বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষে পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্রের সঠিক মূল্যায়ন চেয়ে আমরণ অনশন শুরু করেছেন।



বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ডফ্লোরে ওই শিক্ষার্থী অনশনে বসেন।



অনশনকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম শাকিব মিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাকিব মিয়া প্রথম বর্ষেও দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরে সেগুলো রিটেক দিলে আবারও ফেল করেন। এদিকে দ্বিতীয় বর্ষে ১৩টি বিষয়ের মধ্যে ৫ টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। সেসব বিষয়ে খাতার সঠিক মূল্যায়নের দাবিতে তিনি অনশনে বসেছেন।



অনশনরত শাকিব মিয়ার দাবি, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে নম্বর কম দিয়ে ফেল করানো হয়েছে। তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, পরীক্ষার খাতায় যথাযথ লেখা না থাকায় তিনি অকৃতকার্য হয়েছেন।



অবকাঠামো উন্নয়ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক জানান, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সঙ্গে শাকিব মিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা তাকে ভালোভাবে চিনেন না বলেও উল্লেখ করেন।



অনশনরত শাকিব মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে চলা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিষয়ে তাকে ৩৯ ও ৩৮ নম্বর দিয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।



তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় থেকেই ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ধীমান কুমার রায় তাকে বিভিন্নভাবে ফেল করানোর হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাকে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি একাধিকবার বিভাগ ও উপাচার্যের কাছে গেলেও কোনো সমাধান পাননি। তার দাবি, তার পরীক্ষার খাতার সঠিক মূল্যায়ন করে তাকে তৃতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করার ব্যবস্থা করা হোক।




এ বিষয়ে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থী যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। তার খাতার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং বাহিরে দু'দফায় খাতাগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছে। এটাই নিয়ম। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার তিনটি অংশ—লিখিত (তত্ত্বীয়), ব্যবহারিক ও মৌখিক—প্রত্যেক অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হয়।



তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ২ য় বর্ষের ১৩টি বিষয়ের মধ্যে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, যেগুলো সবই তত্ত্বীয় অংশে। খাতায় প্রয়োজনীয় উত্তর না থাকলে শিক্ষকদের পক্ষে নম্বর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে একই বিষয়গুলোর ভাইভা ও ল্যাব পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন যেখানে শিক্ষকদের মুল্যায়নের সুযোগ থাকে। এর আগেও প্রথম বর্ষে দুটি বিষয়ে তিনি অকৃতকার্য হন এবং পরবর্তীতে পুনরায় পরীক্ষা দিয়েও সেসব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি।



ড. ধীমান কুমার রায় জানান,এই শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বিভাগের কাছে এসেছেন এবং উপাচার্যের কাছেও গিয়েছেন। তবে নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীর কোনো আপত্তি থাকলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্যও তাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে তিনি ভিন্ন পথ অবলম্বনের চেষ্টা করছেন, যা নিয়মতান্ত্রিক ভাবে সম্ভব নয়।




Tag
আরও খবর