নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার, ৭নং বজরা ইউনিয়নের, ৮নং ওয়ার্ড শীলমুদ গ্রামের অত্যন্ত সহজ-সরল, কর্মঠ এবং সাহসী মানুষ সাহাব উদ্দিন। তিনি জন্মগতভাবে বাক-প্রতিবন্ধী এবং শ্রবণশক্তিহীন।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও, তিনি কখনো কারো দয়ার ওপর নির্ভর করেননি। হাড়ভাঙা খাটুনি আর সততার সাথে কাজ করে নিজের সংসার গুছিয়ে নিয়েছিলেন। ১২ বছর আগে তিনি বিয়ে করেন এবং তিন সন্তানের বাবা হয়ে জীবনের স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু বিধিবাম! তার সেই সুন্দর সংসারটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
সাহাব উদ্দিন এ-র স্ত্রী মরিয়ম দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। বিষয়টি জানার পর পারিবারিক অশান্তি শুরু হয় এবং এরই মধ্যে মরিয়ম বিভিন্ন এনজিও থেকে প্রায় ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা ঋণ গ্রহণ করেন।
গত ১৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে মরিয়ম, সাহাব উদ্দিন ও তাদের বড় সন্তানকে বাজারে পাঠায়। এই সুযোগে সে বাড়ির সব আসবাবপত্র, নগদ অর্থ এবং বাকি দুই সন্তানকে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে করে তার পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যায়। বাড়ি ফিরে সাহাব উদ্দিন সবকিছু শূন্য দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এমনকি মরিয়মের পরিবারের কাছে বিচার চাইতে গেলে তারা উল্টো তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়।
আজ তিনি নিঃস্ব, অসহায় এবং বিচারপ্রার্থী।
দীর্ঘ ১ মাস পার হয়ে গেছে, থানায় মামলা করার পরেও প্রশাসন এখনও অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে পারেনি। সাহাব উদ্দিন চান শুধু তার সন্তানদের ফিরে পেতে। কিন্তু আইনগত প্রক্রিয়ার ধীরগতি তার জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরের কদমতলী এলাকায় অবস্থান করছে।
দেশের সচেতন নাগরিক এবং বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের কাছে আবেদন আপনারা এই পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। একটি শেয়ার হয়তো এই অসহায় বাবার সন্তানদের ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করবে।
অভিযুক্তদের সম্পর্কে কোনো তথ্য বা তাদের অবস্থান জানলে দয়া করে দ্রুত যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগ: স্থানীয় ওয়ার্ড মহিলা সদস্য।
মোবাইল: 01843673310
৭ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে