জামালপুরের ইসলামপুরে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। এতে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অঝোর ধারায় কেঁদেছেন জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনের এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি কেঁদেছেন।
এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু তাঁর বক্তব্য কান্নাজণিত কণ্ঠে বলেন, '২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের এই উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন। তখন আমি এমপি ছিলাম। আজও আমি এমপি। কিন্তু গণতন্ত্রের মা আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ বেঁচে নেই। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন, আবারও এই এলাকায় আসতেন। যার ফলে এই এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইত।'
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবু বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়া আমার মায়ের সমতূল্য। আমি তাঁকে বলেই ডাকতাম। বিগত সরকার আমার মায়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করেছেন। তাঁকে এক কাপড়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। অন্যায়ভাবে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল দিয়েছিলো। তাঁর দুই সন্তানের ওপরও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছে। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা তারেক রহমানকে আজ প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়ার কথা বলতে গেলেই চোখে পানি চলে আসে।'
তিনি আরও বলেন, 'এই এলাকায় বিগত দিনে যাঁরা এমপি-মন্ত্রী ছিলেন, তাঁরা উন্নয়ন করেননি। কিন্তু আমার কাজই হচ্ছে দলমত-নির্বিশেষে উন্নয়ন সাধিত করা। এলাকাবাসী ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয় করে আমাকে জাতীয় সংসদ পাঠিয়েছেন। আমি উন্নয়নের মাধ্যমে তাঁদের এই ঋণের বদলা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ পরিদর্শন, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী (কর্মকর্তা) নাজমুল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজোয়ান ইফতেকার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান বিপুল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব, উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল ওয়াহাব মাস্টার এবং পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালী।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় বিএনপিসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
৪ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে