রাষ্ট্রপতির আইনি সুরক্ষা দায়িত্বকালীন সময়ের জন্য: তথ্য উপদেষ্টা বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ‘সবই করতে চাই, কিন্তু হাত-পা বাঁধা’—ঝিনাইগাতীতে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী চিলমারীতে "নদী ভাঙন রোধ ও বাঁধের ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন দৌলতদিয়ার দুই বিদ্যালয়ে বাল্যবিবাহ, মাদক ও সাইবার আসক্তি বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা দোহাজারীতে ৫০ টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ছুরিকাঘাত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সিইসি গোয়ালন্দের পদ্মা নদীতে অভিযানে ৩৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি ও জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ নির্মাণের ১১ বছর পরও তালাবদ্ধ শার্শার ১০ শয্যার হাসপাতাল শ্রীবরদীতে প্রাথমিক শিক্ষকদের সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীর গর্ব তাজু ভাই ২.০ এখন ‘টাইমস টুডে’-তে: রাজমিস্ত্রির সহকারী থেকে সাংবাদিকতার নতুন যাত্রা শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা মৌলভীবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার আতিকুর রহমান শ্রীমঙ্গলে ঝুলে আছে মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ চন্দনাইশে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, নিঃসঙ্গ জীবনের করুণ পরিণতি ছায়াময় ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়ে ট্যুরিস্ট ক্লাব সাস্টের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নোয়াখালীতে লাকড়ির ঘরে মিলল এলজি-কার্তুজ জয়পুরহাট চিনিকলে জিয়া পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শব্দ দূষণ রোধে আইনের কঠোরতা প্রয়োজন

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 14-11-2025 10:38:30 am

◾মু. সায়েম আহমাদ  : বাংলাদেশে শব্দ দূষণ এখন একটি ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সমস্যা। শহরগুলোতে যানবাহনের হর্ন, নির্মাণকাজ, লাউডস্পিকার, কারখানার শব্দ; সব মিলিয়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তথ্যমতে, অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আমাদের দেশেও এ প্রভাব স্পষ্ট। ফলে স্বাভাবিক জীবনে ঘুমের সমস্যা, মাথাব্যথা, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং শ্রবণ শক্তি হ্রাসসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।


বিশেষত রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে যানবাহনের অতিরিক্ত হর্ন শব্দ দূষণের বড় কারণ। রাস্তায় অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অনুমতি ছাড়াই লাউডস্পিকার ব্যবহারের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। নির্মাণকাজে নির্দিষ্ট সময়সীমা না মানা এবং মানহীন সাইলেন্সার ব্যবহার করাও শব্দ দূষণ বাড়ায়। 


এই অবস্থায় শব্দ দূষণ রোধে আইনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, সরকারকে শব্দ নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। অপ্রয়োজনে হর্ন বাজালে বা নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা বৃদ্ধি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্মাণ কাজের সময়সূচি কঠোরভাবে মানা বাধ্যতামূলক করা উচিত। তৃতীয়ত, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি ব্যবস্থায় কঠোর করতে হবে।


এর সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল-কলেজে শব্দ দূষণ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া, গণমাধ্যমে প্রচার চালানো এবং সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া দরকার। প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজে সচেতন হয় এবং অন্যকে সচেতন করে, তাহলে শব্দ দূষণ কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করি। মোদ্দা কথা, শব্দ দূষণ শুধু পরিবেশগত নয়, বরং এটি মানবিক সমস্যা। তাই এখনই শব্দ দূষণ রোধে কঠোর হতে হবে নিজের জন্য, সমাজের জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।


মু. সায়েম আহমাদ 

লেখক ও সংগঠক 


আরও খবর




deshchitro-6a2c36a763867-120626104111.webp
রামিসা ধর্ষণ মামলার রায় হতে পারে অনুকরণীয়

৪৫ দিন ২০ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে