তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উলিপুরে ছাত্র হিযবুল্লাহ্ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত শার্শায় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে প্রবাসী স্ত্রীর আত্মহত্যা সাতকানিয়ায় ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সেরার স্বীকৃতি পেলো শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রায়পুরে মন্দিরে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু আদমদীঘিতে কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাকর্মীদের গণসংবধনা তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

কেশবপুরের ইমরান মালয়েশিয়ায় মৃত্যু

সোহেল পারভেজ, কেশবপুর প্রতিনিধি

মালয়েশিয়া প্রবাসী ইমরান হোসেন (কানন) (২৭) হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) কানন যশোরের কেশবপুর উপজেলার পৌর এলাকার সরফাবাদ গ্রামের আয়ুব আলী সরদারের ছোট ছেলে।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১১ জানুয়ারি ২০২৩) রাতে তিনি মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় ইমরান হোসেন (কানন) মারা যান। 

গত সাত বছর আগে মালয়েশিয়ায় একটি কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজে যোগদান করেন।   গত ৭ মাস আগে তার পদোন্নতি হয়ে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় মালয়েশিয়া থেকে একটি নাম্বার থেকে ফোন করে জানানো হয় ইমরান হোসেন হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এ খবর পেয়ে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।


ইমরান হোসেনের পিতা আয়ুব আলী সরদার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার ছেলে সাত বছর আগে সংসারের টানাপোড়েনের জন্য টাকা রোজগারের জন্য মালয়েশিয়ায় যায়। সেখানে একটি কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করে। ঈদের সময় আসার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই আমাদের কাছে  লাশ হয়ে আসবে। এখন আমি আমার সন্তানের লাশ শেষ বারের মতো দেখার অপেক্ষায় রয়েছি।




Tag
আরও খবর