“দায়িত্ব আর মমতায় সাজানো শিক্ষার উঠোন, নেই পরিচ্ছন্নতা কর্মী, তবু ঝলমল করে স্বপ্নের ঝকঝকে আঙিনায় শেখার আলোকছটা ভালোবাসার পরিচ্ছন্নতায় দীপ্ত এক শিক্ষাঙ্গন—পুড়াখালী ফকির বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”
১৯৮৯ সালে যাত্রা শুরু — এক টুকরো স্বপ্ন, এক মুঠো মানুষ আর একাগ্রতার গল্প। আজ সেই পুড়াখালী ফকির বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দাঁড়িয়ে আছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে।
১৬২টি শিশুমন, ৬ জন নিবেদিত শিক্ষক — নেই নৈশপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী কিংবা আয়া। তবুও প্রতিদিন ঝকঝকে থাকে বিদ্যালয়ের আঙিনা, আলোকিত থাকে শিক্ষার প্রাঙ্গণ।
কারণ, এখানে শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের শব্দ নয়—এখানে শিক্ষা মানে দায়িত্ব, ভালোবাসা আর একাত্মতার নাম।
সহকারী শিক্ষক আব্দুল হালিম মল্লিক বলেন, “এই বিদ্যালয় আমাদের সন্তানসম,
নিজেদের হাতে পরিষ্কার রাখি, নিজেরাই গড়ে তুলি—কারণ এটিই আমাদের প্রাণ, আমাদের গর্ব।”প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই আত্মনিয়োগ করে আসছি এ প্রতিষ্ঠানে।
যাদের ঘামে, ভালোবাসায় আর নিরব সাধনায় এই বিদ্যালয় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার,যেটি গ্রহণ করেছিলেন পত্র বিদ্যালয় প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম মোল্যা।
তারা জানেন — সত্যিকারের সাফল্য আসে মাটির গন্ধে, নিজের হাতে গড়া শ্রেষ্ঠত্বে। শিক্ষা যখন হৃদয়ের কাজ হয়ে যায়, তখন প্রতিটি ঝরা পাতা, প্রতিটি শিশুর হাসিই হয়ে ওঠে একেকটি পুরস্কার।
৫ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে