যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নওয়াপাড়া জামি‘আ ইসলামিয়া আমেনা কওমি মহিলা মাদরাসা প্রাঙ্গনে (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে দারুল উলুম দেওবন্দের দুই কৃতি সন্তান মাসনা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি ইয়াহিয়া সাহেব এবং নওয়াপাড়া আমেনা কওমী মহিলা মাদরাসা ও উসওয়ায়ে হাসানা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি জিহাদুল ইসলাম সাহেবের মাঝে-
সাত সকালে হঠাৎ দরজায় করাঘাত; দরজা খুলতেই দেখা মিলল সেতশুভ্র জুব্বা পরিহিত মুফতি ইয়াহিয়া সাহেবের নেতৃত্বে এক ঝাঁক ফেরেশতা তুল্য ওলামায়ে কেরামের, দেখামাত্রই মুফতি ইহয়াইয়া সাহেব হুজুর জড়িয়ে ধরলেন মুফতি জিহাদুল ইসলাম সাহেব হুজুরকে, অনেকক্ষণ একে অপরকে জড়িয়ে ধরেই রাখলেন ফিসফিস করে কি যেন দুজনেই পড়ছিলেন এরপর মুফতি সাহেব হুজুর নিজ আসন ছেড়ে পরম বন্ধুকে বসিয়ে, পাশের চেয়ারে নিজে বসলেন। একই ডাইসে কি যে চমৎকার দেখা যাচ্ছিল দু’টি নক্ষত্রকে ! তা বলার ভাষা ও যোগ্যতা আমাদের নেই। খুবই লুকিয়ে দুই বন্ধুকে একই ফ্রেমে বন্দী করলাম। পরস্পর পরস্পরের মাঝে বন্ধুত্বের গভীরতা অনুধাবন করলাম। একে অপরকে কি পরিমান বড় মনে করেন তাও বুঝলাম। তাদের আদর্শ দেখে খুবই আকৃষ্ট হলাম, অনুপ্রাণিত হলাম, আকাবির ও আসলাফরা এমনই ছিলেন তা অনুধাবন করলাম। দুইজনকে আল্লাহ তা’আলা বাঁচিয়ে রাখেন অনেক অনেক দিন ধরে জাতির কল্যাণে, মানবতার কল্যাণে।
বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়ায় আমরা সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্রছাত্রীরা আমেনা মাদরাসায়
মুফতি জিহাদুল ইসলাম সাহেব হুজুর কে পেয়ে মরুভূমির মাঝে চূড়ান্ত তৃষ্ণার্থের সামনে শরাবের ফোয়ারা যেমন আনন্দিত করে, ঠিক তেমনি আমাদেরকে আনন্দিত করেছে। আর মাদরাসা কমিটির অনুভূতি তো আরো চমৎকার। বুখারী শরীফের মসনদে হুজুরের চমৎকার তাকবীর শুনতে অন্য জামাতের ছাত্রীরা এমনকি শিক্ষিকারাও পর্দার ওপাশে বসে যান। আমেনা মাদরাসার বিগত ছাত্রী শিক্ষক শিক্ষিকা বিশেষ করে মাদরাসার সাবেক মুহতামিম মাওলানা মাসুম বিল্লাহ সাহেবের জন্য প্রায় প্রায় মন খুলে দোয়া করেন কমিটির মিটিং এ হুজুর সরাসরি মাসুম বিল্লাহ সাহেবের নাম ধরে প্রশংসা ও দোয়া করেছেন আমি নিজের কানে শুনেছি। হুজুরের চমৎকার তাকবীরের প্রশংসা শুনে আমাদের আমেনা মাদরাসা থেকে যারা ইতিপূর্বে চলে গিয়েছে, তাদের মধ্যে অনেক ছাত্রীরা আবার ফিরে এসে আমেনা মাদরাসায় ভর্তি হয়েছে হুজুর এসে বুখারী শরীফে ৪ জন ছাত্রী পেয়েছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ এবার বুখারী শরীফে ৩৩ জন ছাত্রী ভর্তি হয়েছে হুজুরের আমল-আখলাক,শাসন,সোহাগ,উদারতা ও মহানুভবতা সবকিছুতে আমরা মহা খুশি।হুজুরের সরাসরি তত্বাবধানে আমরা শিক্ষক/শিক্ষাকারা ছাত্রীদের উপরে মেহনত চালিয়ে বেফাকে ২৮জন মেয়েকে সিরিয়ালে পাঠাতে সক্ষম হয়েছি যা আমেনা মাদরাসার জন্মের পর থেকে এটাই সর্বোচ্চ অর্জন।
‘অনুভূতিতে’ জামিয়া ইসলামিয়া আমেনা কওমি মহিলা মাদরাসা নওয়াপাড়া অভয়নগর যশোরের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্রছাত্রীরা ।
৫ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে