আশাশুনিতে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনের অর্ধ-বার্ষিক সভা ইসলামপুরের সাজাপ্রাপ্ত বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার পত্নীতলায় দিনব্যাপী ফ্রী হেলথ ক্যাম্প ২০২৬ অনুষ্ঠিত চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার জাতীয় যুব দিবসে যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪ জন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পীরগাছায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষীদের বিচারের দাবিতে বাঘায় জামায়তের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় দিনব্যাপী উদ্যোক্তা সম্মেলন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হুজাইফা গোয়ালন্দে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৩ টি ঘর, গরু ও ৬০ মণ ধান নরসিংদীতে অস্ত্র, মাদক ও নগদ ১০ লাখ টাকাসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার উলিপুর উপজেলা মডেল মসজিদে শুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কুরআন শরীফ শিখানো হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ঘোষণা বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নবজাতকের মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা খেয়াঘাটে নীরবতা: লঞ্চ বন্ধে সংকটে শ্রমিক ও ইজারাদার,ভোগান্তি যাত্রীদের অসুস্থ বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের পাশে হাজী সিরাজুল ইসলাম পীরগাছায় সাতদরগা যুব সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে শহীদদের স্বরণে উপজেলা জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় একটি বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজনই হিন্দু, ইসলাম ধর্মের ক্লাস নেন হিন্দু শিক্ষক

রংপুরের পীরগাছা ইউনিয়নের ছোট ঝিনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে চারজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজনই সনাতন ধর্মাবলম্বীর। এই বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত মুসলিম শিক্ষক না থাকায় মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অথচ বিদ্যালয়টিতে একটি পদ শূন্য রয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বিদ্যালয়ে প্রে-৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৩০জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র তিনজন রয়েছে সনাতন ধর্মালম্বী শিক্ষার্থী। উপবৃত্তি সুবিধাভোগী ১০৪জন, অনুমোদিত শিক্ষক ৫জন, কর্মরত রয়েছেন চারজন। এমন অবস্থায় সালামের পরিবর্তে আদাবের চর্চা করছে শিক্ষার্থীরা। ওই বিদ্যালয়ে কোনো মুসলিম গেলে শিক্ষার্থীরা সালামের পরিবর্তে আদাব দিয়ে থাকে। ফলে বিভ্রান্তিতে পড়ে যায় ওই মুসলিম। একদিকে যেমন ইসলাম ধর্মের নৈতিক শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা অপরদিকে ওই বিদ্যালয়ে রয়েছে শিক্ষক সমন্বয়হীনতা। 

অভিভাবক ও স্থানীয়দের দাবি, যখন শিক্ষা নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে, তখন ধর্মীয় শিক্ষা থেকে একটি বড় অংশের শিক্ষার্থী বঞ্চিত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ সংকট নিরসনে স্থানীয় পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব হাসান বলেন, আমাদের স্কুলে চারজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজনই হিন্দু স্যার। প্রতিদিন আদাব দিতে দিতে আমাদের আদাব দেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। একারণে স্কুলে যে কেউ আসলে আমরা আদাব দিয়ে থাকি।

পঞ্চম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী রেশমা বলেন, আমাদের স্কুলে তিনজন সনাতন ধর্মালম্বী শিক্ষক রয়েছে। তাদের আদাব দিতে দিতে আদাব দেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। তাই আমাদের ম্যাডাম আমাদের আদাবের পরিবর্তে সালাম দিতে বলেছেন। চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুহান মিয়া ও পারভীন আক্তার একই কথা জানান। তবে এবিষয়ে কোন সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানা আক্তার শানু। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল জানান, আগামী শিক্ষা কমিটির মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন এবং মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি। 

আরও খবর