দ্বিতীয় যমুনা-পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে পারবে কি? রায়পুরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত উলিপুরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মিদশা থেকে ৬ জেলে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ নভেম্বর মোংলা-বাগেরহাটে আসছেন আশাশুনি নওয়াপাড়ায় নদী খননের মাটি অবাধে বিক্রি ★হুমকিতে বাঁধ ও সরকারি সড়ক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন, থাকছে ১০টি স্টল পীরগাছায় ইউএনওর সঙ্গে নৃ-গোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে নারীদের অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ

মধ্যনগর ও মহেষখলা সড়কে দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ

আবদুর রব সজল ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি ঃ

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলা থেকে উপজেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র সংযোগ সড়কটি বর্ষার পানিতে ধসে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকার হাজারো মানুষ। বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষের যাতায়াতে সৃষ্টি হয়েছে চরম দুর্ভোগ। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে ধসে পড়া অংশে একটি মোটরসাইকেল পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। সৌভাগ্যক্রমে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চালক প্রাণে রক্ষা পান। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা সেতুটি অবশেষে মাটি ধসে পড়ে সম্পূর্ণরূপে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই সেতুটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্ষা এলেই এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ধস নামা নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ফরিদ মিয়া বলেন, এই জায়গাটিতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে। বিশেষ করে রাত-বিরাতে রোগী নিয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিতে হয়। এখন তো পায়ে হেঁটে চলতেও ভয় পাচ্ছে মানুষ।

বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, “রাস্তার ভয়াবহ দুর্দশা আমি সরেজমিনে দেখেছি। এটি মানুষের চলাচলের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিষয়টি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হবে, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এখনই উদ্যোগ না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।” স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তাটা আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত। স্কুল-কলেজ, বাজার, হাসপাতাল, সব জায়গায় যাওয়ার জন্য এই রাস্তাই একমাত্র ভরসা। এখন সেই রাস্তাই ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। উপজেলার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় জনগণের ক্ষোভ চরমে উঠেছে। এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির সংস্কার ও বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় বলেন প্রতিদিন এ পথে হাজারো মানুষ চলাচল করে। দুর্ঘটনা ঘটার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে যে কোনো সময় প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

Tag
আরও খবর