যোগাযোগের জন্য সময়ের প্রয়োজন পড়েনা- কাজী এহসানুল হক জিহাদ আবুধাবিতে DXN পপুলার ইউনিয়ন টিমের উদ্যোগে বিশাল বাংলা সেমিনার ও সেলিব্রেশন নোয়াখালীর দত্তেরহাটে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল এমডি জেলে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার দত্তেরহাটে চোখে আঘাতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতাল বন্ধ ক্ষেতলালে নানা কর্মসূচিতে ডায়াবেটিস সেবা দিবস পালিত লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রি: ক্ষেতলালে ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৫৭ বস্তা সার জব্দ সন্তানকে দানের পরও আজীবন সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস নিয়ামতপুরের ছাতড়া গরুহাটির প্রধান সড়ক দখল করে মার্কেটের সিঁড়ি, চরম দুর্ভোগে পথচারী, ১১দলীয় জোটের লংমার্চে জাতি কি পেলো ১১দলীয় জোটের লংমার্চে জাতি কি পেলো জামায়াতের কার্যক্রমে অসন্তোষ, শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৫০ সদস্য অভয়নগরে নারিকেল গাছের পাতা কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু রায়পুরে বসতঘরে আগুন, পুড়ে ছাই ১৫টির বেশি ঘর আশাশুনির বুধহাটাসহ ৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে ---------- সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন লালপুরে পদ্মার চরে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প " পরিদর্শনে চীনের দল ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ নাছির উদ্দীনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মানবতার আহবান ফাউন্ডেশন কতৃক বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী সম্পন্ন মধুপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন শ্যামনগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক খামারীর মৃত্যু

নাগরপুরে সৎ মাকে ঘর থেকে বের করে তালা দেওয়ার অভিযোগ ছেলেদের বিরুদ্ধে

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকায় সৎ মাকে বসবাসের ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ফুলমালা বেগম জানান, তার স্বামী মৃত আনছু পীর সাহেব মৃত্যুর আগে তাকে ২ শতাংশ বাড়ির জমি এবং ২ শতাংশ আবাদি জমিসহ মোট ৪ শতাংশ জমি লিখে দিয়ে যান। আনছু পীর সাহেব তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ফুলমালাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তাদের ঘরে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই ছেলে এবং চার মেয়ে রয়েছে। ফুলমালা অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী তার জীবদ্দশায় তার দুই ছেলের নামে বাকি সব জমিজমা লিখে দেন। কিন্তু কেউই আমাদের ঠিকমতো ভরণপোষণ করত না। আমার স্বামী পীর সাহেব হিসেবে তার ভক্তদের দান-খয়রাতেই কোনোভাবে দিন চলত। স্বামী মারা যাওয়ার পরই তার প্রথম স্ত্রীর ছেলেরা আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় এবং ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। এখন আমি খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি।” এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলে ছালাম বলেন, “ঘরটি পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ। মা তখন বাড়িতে ছিলেন না, তাই আমরা তালা দিয়েছি যাতে কোনো জিনিসপত্র না হারিয়ে যায়।” অন্য ছেলে বারেক বলেন, “ঘরটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমরা কাউকে থাকতে দিই না। ভবিষ্যতে আমি এখানে বিল্ডিং করব। তখন মা আমার সাথেই থাকবেন।” ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Tag
আরও খবর