জয়পুরহাটে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন পীরগাছায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাতকানিয়ার মোটর সাইকেল আরোহী নিহত ঝিনাইগাতীতে ধান মাড়াইকল উল্টে প্রাণ গেল যুবকের, আহত ২ মিরসরাইয়ে দীপ্ত যুব ফাউন্ডেশনের মাদকবিরোধী র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কৃষ্ণনগরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ৯ নভেম্বর, বিএনপির আলোচনা সভাকৃষ্ণনগরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ৯ নভেম্বর, বিএনপির আলোচনা সভা ইসলামপুরে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত অন্নকূট মহোৎসব: ভক্তি, কৃতজ্ঞতা ও প্রকৃতিপ্রেমের উৎসব ব্রহ্মরাজপুরে শিক্ষার্থী হয়রানির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বৃষ্টি নেই,তীব্র খরায় ফেটে চৌচির ধানের জমি ময়মনসিংহ সদর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন গলাচিপা মৎস্য অফিসে রাতেও উড়ল জাতীয় পতাকা কুতুবদিয়ায় টানা ৫ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের বিজ্ঞপ্তি ইসলামপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ইসরায়েলের সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকোট এমইএস কনভেনশন হলে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের নবীনদের বরন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ‎ ‎বিষের ছোবলে বিপর্যস্ত সুন্দরবন, অপরাধ দমনে ১৩৫ জনের তালিকা ২৪ আমাদের আমাদের করতে থাকলে কারোরই থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম এআই সিনেমায় সিনথিয়া! জিয়া পরিবার ঐক্যের রাজনীতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অভয়নগরে খেজুরের গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা।

ঐতিহ্যবাহী যশোরে জেলার বিভিন্ন এলাকার মতো অভয়নগরেও ধুম পড়েছে খেজুর পরিচর্যার।

 বছর ঘুরে শরৎ ঋতুকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। এখন রাতের শেষে কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমন বার্তা। খেজুরের গুড়ের জন্য প্রসিদ্ধ ঐতিহ্যবাহী যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে খেজুরের রস সংগ্রের জন্য গাছিরা খেজুর গাছ কাটার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাক ডাকা ভোরে রস সংগ্রহ ও সন্ধায় চলছে গাছ পরিচর্যার কার্যক্রম। আর মাত্র কয়েক দিন পর রস সংগ্রহ করে রস থেকে নালি গুড় তৈরির পর্ব শুরু হয়ে চলবে প্রায় মাঘ মাস পর্যন্ত। খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রের প্রস্তুতি উপজেলার প্রতিটি গ্রামে চোখে পড়ছে।

 তা আবার চাহিদা তুলনায় অত্যন্ত কম। তার পরও যে রস ,গুড় ও পাটারী তৈরি হয় তা দিয়ে শীত মৌসুমে রীতিমত কাড়াকাড়ি শুরু হয়। সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়। কিছুদিন আগেও বিভিন্ন এলাকার ক্ষেতের আইলে, রাস্তার দুই ধারে ও ঝোপ-ঝাড়ে ছিল অসংখ্য খেজুর গাছ। কোন পরিচর্যা ছাড়াই অনেকটা প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠতো এসব খেজুর গাছ। প্রতিটি পরিবারের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত রস দিয়ে তৈরি করা হতো সুস্বাদু খেজুর গুড়।

কিন্তুু মানুষের সচেতনতা ও রক্ষনা-বেক্ষনের অভাবে পরিবেশ বান্ধব খেজুর গাছ আর তেমন চোখে পড়ে না। অপরদিকে ইট ভাটার রাহু গ্রাসে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার বেশি হওয়ার কারনে যে পরিমান গাছ চোখে পড়ে তা নির্বিচারে নিধন করায় দিনদিন খেজুর গাছ কমছেই। এখনও শীতকালে শহর থেকে মানুষ দলে দলে ছুটে আসে গ্রাম বাংলার গেজুর রস খেতে।

এক সময় সন্ধ্যাকালীন সময়ে গ্রামীন পরিবেশটা খেজুর রসে মধুর হয়ে উঠতো। রস আহরনকারী গাছিদের প্রাণাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যেত সে সময়। রস জ্বালিয়ে পাতলা ঝোল,দানা গুড় ও পাটালী তৈরিকরতেন। যার সাদ ও ঘ্রাণ ছিল সম্পূর্ন ভিন্ন। এখন অবশ্যই সে কথা নতুন প্রজন্মের কাছে রুপ কথা মনে হলেও বাস্তব। যত বেশি শীত পরড়ে ততবেশি মিষ্টি রস দেবে খেজুর গাছ। 

উপজেলার পুড়াখালী গ্রামের আব্দুস সালাম গাছি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে শীতের কষ্ট সহ্যকরে খেজুরের সুস্বাদু -সুমিষ্ট রস এবং গুড় তৈরি করে মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকি,অথচ আমাদের জন্য তেমন কোন সরকারি ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন শুনেছ আমাদের জন্য গাছিদা বরাদ্দ হয়, কিন্তু পাই নাই।  নিজে খরচ করে দা দড়ি কিনে এই পেশায় থাকা খুবই কষ্ট।


আরও খবর