আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন বিএনপির পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ বিজয়া দশমী: আমাদের চাওয়া-পাওয়া ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী হরমুজে মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন ধ্বংস করল ইরান রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড : তথ্যের ঘাটতি আছে, আমরা খতিয়ে দেখ‌ছি কবিতা, প্রেম ও জীবনের দর্শন--‎কবি রবি ডাকুয়ার ভাবনায় মানুষের হৃদয়, অনুভূতি ও জীবনের বহুমাত্রিকতা সাংবাদিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ‎সত্যের পক্ষে কলম, মানুষের পাশে সাংবাদিক কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জি এম রবিউল্যাহ বাহারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান নাগেশ্বরীতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা দুলাল টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত-২, আহত-৩ নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে ৩৯টি মনোনয়নপত্র জমা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি ৪১২ কোটি ডলার কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন পলাশে রিকের প্রকল্প সমাপনী ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। মাদকমুক্ত ও উন্নয়নমুখী অন্নদানগর ইউনিয়ন গড়তে চাই : চেয়ারম্যান প্রার্থী জিল্লুর রহমান প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন কাল, ব্যাপক প্রস্তুতি-উৎসাহ-উদ্দীপনা বাঁশখালীতে সরল ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

৬ ডিবি কর্তকর্তার সোনার বার ডাকাতি : এক বছরেও নেই চার্জশিট

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 11-08-2022 12:48:17 pm

ফাইল ছবি


নিউজ ডেস্ক :


ফেনীর সদর উপজেলার ফতেহপুরে সোনার বার ডাকাতির ঘটনার মামলার বছর পেরিয়ে গেলেও চার্জশিট দেয়নি তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই মামলায় ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইফুল ইসলামসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।


মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের হাজারী গলির স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাশ ২০টি সোনার বার নিয়ে প্রাইভেটকারে ঢাকা যাওয়ার পথে সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারপাস এলাকায় ডিবি পুলিশ তার গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর গোপাল কান্তি দাশকে আটক করে তল্লাশির নামে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে ও সোনার বারগুলো নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখায় পুলিশ।


এ ঘটনায় ডিবির পরিদর্শকসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ওই বছর ১০ আগস্ট রাতে ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, উপপরিদর্শক মোতাহার হোসেন, নুরুল হক, মিজানুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করে জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ১৫টি সোনার বার উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েক দফা রিমান্ড শেষে ওই ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। 


এ ঘটনায় মামলার বাদী ব্যবসায়ী গোপাল দাশের সাবেক ব্যবসায়ী অংশীদার সমিদুল আলম ভুট্টো গত বছরের ১৫ আগস্ট ডাকাতির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকেও মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। 


১৮ আগস্ট ডিবি পুলিশের গাড়িচালক মঈনুল হোসেন ও আমজাদ হোসেন তুহিন এবং ২৩ আগস্ট মামলার বাদীর গাড়িচালক শওকত আলী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ২২ সেপ্টেম্বর ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই ফিরোজ আলমকে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে মারা যান তিনি। 


গ্রেফতারকৃত ৬ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের মধ্যে বর্তমানে কারাগারে আছেন ৪ পুলিশ সদস্য। এসআই মোতাহের হোসেন ও নুরুল হক এবং বাদীর ব্যবসায়িক অংশীদার সমিদুল আলম ভুট্টো উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। 


তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই’র পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, মামলার অন্যতম আসামি ফিরোজের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুততার সহিত তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে পারব।

আরও খবর