২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদক কারবারি গ্রেফতার ২২৩ টাকা বেড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাওয়া তাড়াইলের গ্ৰামীণ সংস্কৃতি ডোমারে আনসার-ভিডিপির সঞ্জীবন প্রকল্পে সঠিক নির্বাচন ও বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা জাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের জন্য টার্নিটিন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই বোনের পাটকেলঘাটা থানার নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি আশাশুনিতে সার ডিলার নিয়োগে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ, তদন্তের আবেদন লাখাইয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি হচ্ছে মোরগের কলিজা, পা ও মাথা,রয়েছে স্বাস্থ্যঝুকি। সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা, প্রত্যাহারের দাবি সাংবাদিক মহলের চিয়ড়া স্পোর্টস ফেডারেশনের মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন, টাইব্রেকারে বদরপুরের জয় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা জরুরি। সজিব হোসেনের কবিতা - অভ্যর্থনা গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ও বিক্ষোভ ডিসেম্বর সামনে রেখে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

তাড়াইলের কাইনহা বিলে পদ্ম ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য, ছুটছেন সৌন্দর্যপ্রেমীরা


পদ্মকে বলা হয় জলজ ফুলের রানী। প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া ফুলের রানী পদ্ম সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কাইনহা বিলের চিত্র। উপজেলার দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের জয় বাংলা বাজার সংলগ্ন ফুটন্ত পদ্ম ফুলের মনোরম দৃশ্য দেখতে জনতার ভীড় জমছে। পদ্মফুলের নজরকাড়া সৌন্দর্যের বদৌলতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিলের সুখ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। দুর থেকে মনে হবে যেন ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে কেউ। প্রতিদিনই এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছে দর্শনার্থীরা।

স্থানীয় মানুষদের কাছে বিলটি কাইনহার বিল নামে পরিচিত। দেশের বিভিন্ন জায়গায় পদ্মফুল চোখে পড়লেও তাড়াইলের পদ্মবিলে ফুটে থাকা পদ্মফুলের দৃশ্য বড়ই মনোরম। 


সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়নের দড়িজাহাঙ্গীরপুর জয় বাংলা বাজারের দক্ষিণ দিকে রয়েছে কাইনহা বিলটি। উপজেলার ঘোষপাড়া, দেওথান ও করিমগঞ্জ উপজেলার করণশি গ্রামের মাঝামাঝি স্হানে অবস্থিত কাইনহা বিলটি। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে কাইনহা বিলে পদ্ম ফুলের বিশাল সমাহার৷ বিল জুড়ে ফুটন্ত পদ্মফুল গুলো সৌন্দর্যের পূর্ণতা নিয়ে হাতছানি দিয়ে ডাকছে৷ বিকেলে পদ্ম ফুলের দৃশ্যটি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করে৷ অসংখ্য পদ্মফুল ঝলমল করে উঠে সারা বিল জুড়ে৷ দূূর থেকে দেখে মনে হয় যেন সাজানো-গোছানো এক ফুলের বাগান৷ 


পদ্মফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শক মোজাম্মেল, আবু হুরায়রা সৌরভ, মিঠুন চন্দ্র ঘোষ সহ আরও অনেকেই বলেন, কাইনহা বিলের পদ্মফুল এবং পদ্মপাতা গুলো মানুষের মন জুড়ে প্রভাব বিস্তার করছে৷ বিলের বর্তমান দৃশ্যটি মানুষের মনে দাগ কাটছে। কাছে গিয়ে কাইনহা বিলের পদ্মফুল ও তার পাতাগুলো স্পর্শ করলে মনে হয় যেন সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে

প্রবেশ করেছি। বিলের পদ্মফুলগুলো আশপাশের পরিবেশটাকে আকর্ষণীর্ষ করে তুলেছে। সাদা-লাল রঙের পদ্ম ফুলের মাঝে সবুজ রঙের পদ্ম পাতাগুলো যেন পরিবেশটাকে শীতল করে তুলেছে৷ নৌকা দিয়ে কাইনহা বিলের মাঝে প্রবেশ করার পর মনে হবে যেন কোনো এক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে অবস্থান করছি৷


বিলের আশপাশ এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই বিলটিতে বর্ষাকালে অসংখ্য পদ্মফুল ফোটে৷ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অনেক লোকের জনসমাগম হয় এই কাইনহা বিলে পদ্মফুল দেখার জন্য৷ নৌকা দিয়ে বিলটি ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। পদ্মবিলের সৌন্দর্য একনজর উপভোগ করতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ ছুটে আসছেন। পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সৌন্দর্যপিপাসুরা বিলটিতে ভিড় করছেন। অনেক দর্শনার্থী মনের আনন্দে কিংবা ছবি তোলার জন্য ফুল ছিঁড়ছেন। অনেকে আবার ফুল ছিঁড়ে বাসায় নিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দিচ্ছেন। এতে বিলটিতে পদ্মফুলের সংখ্যা দিনদিন কমে আসছে এবং বিলের সৌন্দর্যও বিনষ্ট হচ্ছে। সাধারণত পুরোনো গাছের কন্দ ও বীজের সাহায্যে পদ্মের বংশবিস্তার হয়ে থাকে। এভাবে যদি গণহারে ফুল ছেঁড়া অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী বছর পদ্মের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে কমে যাবে এবং বিলটির অপরূপ সৌন্দর্য হুমকির মুখে পড়বে। এ অবস্থায় বিলটি সংরক্ষণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।


দূরদূ দূরান্ত থেকে ভ্রমণ পিপাসুদের আসার ব্যবস্থা হল, কিশোরগঞ্জ সদর থেকে নীলগঞ্জ বাজার বায়া সিএনজি বা অটো যোগে সরাসরি দড়িজাহাঙ্গীরপুর কাইনহা বিলে আসা যাবে৷ তাড়াইল উপজেলা সদর থেকেও যে কোনো যানবাহন দিয়ে আসা যাবে।

আরও খবর