সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা, প্রত্যাহারের দাবি সাংবাদিক মহলের চিয়ড়া স্পোর্টস ফেডারেশনের মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন, টাইব্রেকারে বদরপুরের জয় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা জরুরি। সজিব হোসেনের কবিতা - অভ্যর্থনা গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ও বিক্ষোভ ডিসেম্বর সামনে রেখে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বরের সরকারি ছুটি পাবেন না যারা ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত মিরসরাইয়ের মাঠ কাঁপানো কণ্ঠ সাইদুল ইসলাম, ধারাভাষ্যে মুগ্ধ হাজারো দর্শক চিলমারীতে একমাত্র "জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে" ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবি’র বিশেষ অভিযান: ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার অনলাইন জুয়ার নেশায় তরুণ প্রজন্ম; পিছিয়ে নেই বালিয়াডাঙ্গী তাড়াইল হাসপাতালের সংকট ও উত্তরণের উপায় এআই লিখছে কবিতা-গল্প, তাহলে লেখকদের ভবিষ্যৎ কী? প্রয়াণ দিবসে জীবনানন্দ স্মরণ ‘স্রোতের’ যে পায় সে পায় - আহসান হাবিব বাঘার "৯০" এর বন্ধুদের তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন।

কিশোরগঞ্জে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহলার আনাচে কানাচে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই কদম ফুলের মুগ্ধতায় পরিপূর্ণ যেন গ্রাম- গঞ্জ। ষড়ঋতুর বর্ষা এক অনন্য ঋতু। এই ঋতুটি আসার আগেই কদম ফুল যেন জানিয়ে দেয় আগমণী বার্তা।


প্রকৃতিতে এখন চলছে বর্ষাকাল। কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পথে- প্রান্তরে কদম গাছগুলো ভরে উঠেছে ফুল ফলে। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির উঠানে অসংখ্য কদম গাছ।সেই কদম গাছের ডালে ডালে ফুল ফলে ভরপুর। এ যেন আবহমান বাংলার বর্ষা বরণের প্রাকৃতিক আয়োজন।


বিভিন্ন সড়কের পাশে এখন হলুদ আর সাদায় সেজেছে সর্বত্র। বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে কদম ফুলের। গাছের ডালে ডালে সবুজ পাতার আড়ালে ফুটে অসংখ্য কদম ফুল।স্থানীয় ভাবে জানা যায়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে কদম গাছে ভরে যায় ফুল ফলে।আর প্রকৃতিতে মৌ মৌ গন্ধে পিপাসুদের তৃপ্তি এনে দেয়। কোমলমতি শিশুরা কদম ফুলে হেসে খেলে আনন্দে মেতে উঠেন।এমনকি তরুণ-তরুণীরা কদম ফুল তাদের প্রিয়জনকেও উপহার দেয়।


মেয়েরা খোঁপায়ও বেধে থাকে অনেক সময়। তবে কদম গাছের বাণিজ্যিক মূল্য কম হওয়ায় এ গাছের সংখ্যাও কমে আসছে ধীরে ধীরে। অনেকেই কদম গাছ কেটে রোপণ করেছেন লাভজনক কোনো গাছ। কদম গাছ কমে যাওয়ায় এখন মানুষ ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে।


সবাই এখন বাড়ির আঙ্গিনায় ফলমূল ও ফুলের গাছ লাগাচ্ছে। যার ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে কদম ফুলের গাছ।উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুরাকুটির গাছ প্রেমী আনছার আলী জানান, বাংলার হাজার ফুলের মধ্যে কদমের সৌন্দর্য অন্যতম। ব্যক্তি পর্যায় ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও সরকারি-বেসরকারি জায়গায় কদম গাছ লাগানো প্রয়োজন। তাহলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষায় কদমগাছ রোপণ ও এর রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। একই এলাকার আরিফুর রহমান জানান, ছোটবেলায় বর্ষাকালে খেলার অন্যতম উপকরন ছিলো কদমফুল। ফুলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। বর্ষাকালে পথে প্রান্তরে প্রচুর পরিমাণে কদম ফুলের দেখা মিলতো যা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় একটি করে কদম গাছ লাগানো জরুরি। তিনি আরও জানান, কদম ফুল শুভ্রতার প্রতীক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য রক্ষায় কদম ফুলের অবদান রয়েছে। গন্ধে, বর্ণে, সৌন্দর্যে ও ঔষধি গুণে কদমগাছ পরিপূর্ণ হলেও কালের বিবর্তনে হ্রাস পাচ্ছে কদম গাছের সংখ্যা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সব ধরনের গাছ রোপণ সরকারের পাশাপাশি সামাজিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।