বৃহত্তর লাকসামে ১২০ সাংবাদিকের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪০। আশাশুনিতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসপি দোহাজারীকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন শেষে সড়ক অবরোধ পীরগাছায় বসতবাড়ির প্রবেশপথ খুঁড়ে ফেলা, বাড়ির আঙিনা ও ঘরের দেয়াল ঘেঁষে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে চলাচলে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ জাতিকে নেতৃত্ব দিতে যোগ্য ছাত্র তৈরিতে অভিভাবকের ভূমিকা অপরিসীম,বরকত উল্লাহ বুলু লাখাইয়ে পুলিশ অভিযানে ৩কেজি গাঁজা সহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার। শ্যামনগরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন দিল্লিতে আটক পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা মহালয়ার অমাবস্যা: পিতৃস্মরণ থেকে দেবীবন্দনা মিরসরাই প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, সভাপতি আবু সাঈদ ভূঁইয়া, সম্পাদক এম মাঈন উদ্দিন নড়িয়ায় ‘আলোকিত ডিংগামানিক ফাউন্ডেশন’-এর যাত্রা শুরু, সভাপতি মনির হোসেন ও সম্পাদক সোলায়মান খান রানা শ্রীমঙ্গলে বই পড়া উৎসবে ‘মুকুল’ থেকে ‘ফুল’ হয়ে ‘ফল’ রূপের বিস্ময়কর সফর, মোবাইল ও ডিজিটাল পর্দা ছেড়ে বইয়ের পাতায় ২৫ হাজার প্রাণ কুলিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ দস্যুর আত্মসমর্পণ জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মের শ্রমিকদের মাঝে পূজার উপহার বিতরণ প্রবাসী মনসুরের নিথর দেহ ফিরল গ্রামে, স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হলো আকাশ-বাতাস লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন আক্কেলপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ইরান যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে দেশে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

দেশকে কখনোই পরাজিত শক্তির দোসরদের হাতে তুলে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 14-12-2023 12:50:11 pm

◾বাসস ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অগ্নিসংযোগকারি ও রেললাইনের ফিশপ্লেট উপড়ে ফেলার সঙ্গে জড়িতদের একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর হিসেবে বর্ণনা করে দেশকে তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, “যারা অগ্নিসংযোগ করছে এবং রেললাইনের ফিশপ্লেট তুলে ফেলছে তারা পরাজিত শক্তির (একাত্তরের) দোসর। আমরা কখনই পরাজিত শক্তির হাতে দেশকে তুলে দেব না।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন।

 শেখ হাসিনা বলেন, যারা এদেশে জ্বালাও-পোড়াও অগ্নিসংযোগ করে, রেল লাইনের ফিসপ্লেট তুলে ফেলে এরাতো পরাজিত শক্তির দালাল, পরাজিত শক্তির দোসর। কাজেই এদেরকে না বলুন। এদের বাংলাদেশের রাজনীতি করারই কোন অধিকার নেই। খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী, দুর্নীতিবাজ এদের বাংলাদেশে কোন স্থান নেই। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার, ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। তারা সেই ভোটের অধিকার প্রয়োগ করবে। তারা শান্তিতে বাস করবে। উন্নত জীবন পাবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি জাতির পিতা মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমরা এই দেশকে আর কখনো এই পরাজিত শক্তির হাতে তুলে দেব না।” 

“বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে চলবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী জাতি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে, শহীদদের কাছে এটাই আমাদের অঙ্গীকার,” যোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সহ-সভাপতি যথাক্রমে শেখ বজলুর রহমান ও নুরুল আলম রুহুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী ফয়জুর রহমান আহমেদের ছেলে ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলিম চৌধুরীর মেয়ে অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত অংশ পাঠ করেন। 

 আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, এমপি এবং সহপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষ সেবা পায়। এখনতো মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিটি মৌলিক অধিকার আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। আজকে বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আর এই সম্মানটা দিতে পারে না আমাদের দেশের কিছু কুলাঙ্গার। ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন ওই হানাদার বাহিনীর দোসর যারা ছিল এরাই তাদের প্রেতাত্মা হয়ে মানুষের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে মানুষ হত্যা করে যাচ্ছে। আর মানুষ হত্যার পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে আমার একটা আবেদন থাকবে প্রত্যেকটি এলাকায় যেখানে রেললাইন আছে যানবাহন  চলাচল করছে সেখানে যখন কোন ঘটনা ঘটাবে সাথে সাথে জনগণ যদি মাঠে নামে এরা হালে পানি পাবে না। কাজেই আমি জনগণের কাছে আহ্বান জানাবো সকলকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ, এরা কেবল ধ্বংস করতে জানে এরা কোন কিছু সৃষ্টি করতে জানে না। এরা কেবল মানুষ খুন করতে পারে মানুষের জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তা দিতে পারে না। এরা মানুষের সর্বনাশ করতে পারে কিন্তু মানুষের জীবনটাকে উন্নত করতে পারে না। আর কোথাও এ ধরণের রেলের ফিসপ্লেট তুলে ফেলা বা রেললাইন তুলে ফেলা, আগুন দেওয়া-যখনই যে করতে যাবে সরাসরি তাদেরকে ধরতে হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। রেলে চড়ে মানুষ যাবে সেখানে রেললাইন তুলে ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যা করবে, তারা আবার কথা বলে কোন মুখে? 

“হত্যাকারীরা কখনো গণতন্ত্র দিতে পারে না। এটা দেশের মানুষকে বুঝতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আজকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমরা আমাদের অনেক বুদ্ধিজীবীদেরকে হারিয়েছি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি। আর শহীদের রক্ত কোনদিন বৃথা যায় না। বৃথা যায়নি। আজকের বাংলাদেশ এই ১৫ বছরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি এবং সেই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

আরও খবর



6ac5ed666b270-071026125742.webp
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা

৩ দিন ১৮ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে