কুলিয়ারচরে পৃথক দুই মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের দুই সদস্য গ্রেফতার বাঘায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিতঃ লাখাইয়ে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন। শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু পরিবহনের অভিযোগে ৬ জন আটক, অটোভ্যান ও লরি জব্দ শ্রীমঙ্গলে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ জাবিপ্রবিতে ‘বিতর্কিত’ নিয়োগের প্রতিবাদে জাতীয় ছাত্রশক্তি সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ তৃণমূল প্রেস সোসাইটির ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সরকারি নিবন্ধন পেল সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ২ জনের মৃত্যু প্রথাগত কূটনৈতিক তৎপরতায় রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় : শামা ওবায়েদ বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী কুলিয়ারচরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত সাতক্ষীরায় আইন-শঙ্খলা বিষয়ক সভায় অপরাধ দমনে কঠোর বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কাফ সিরাপ জব্দ জয়পুরহাটে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ফেয়ারডিল ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন পীরগাছায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাতকানিয়ার মোটর সাইকেল আরোহী নিহত ঝিনাইগাতীতে ধান মাড়াইকল উল্টে প্রাণ গেল যুবকের, আহত ২

মাদকে ভাসছে আশাশুনি।

আশাশুনির সর্বত্র মাদকে সয়লাব হয়ে পড়েছে।চলছে রমরমা ব্যবসা।উপজেলার ১১ ইউনিয়নে প্রায় সব গ্রামেই এ ব্যবসা ধারন করছে।এ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় সব প্রভাবশালী মহলের পাশাপাশি প্রশাসনের ব্যক্তিরা।এ মাদক নিয়ন্ত্রনে যাদের দেখার  কথা তারাও আবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে।বিশেষ করে পুলিশের সোর্স যারা মাদক উদ্ধার ও মাদক পাচারকারীদের বা ব্যবসায়েিদরর ধরিয়ে দিতে সহয়াতা করে সেই পুলিশের সোর্সরাই এখন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে রয়েছে।পুলিশকে ব্যবহার করে পুলিশের সোসরাই মাদক ব্যবসার সিন্ডেকেট গড়ে তুলেছে।এরা পুলিশের পরোক্ষ সহযোগিতায় মাদক বিক্রয়ও করে থাকে।এসব সোর্সরা মাদক ব্যবসায়ীদের না ধরিয়ে নিরহ ব্যক্তিদের মাদকের মামলার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।জানা গেছে আশাশুনির বুধহাটার বটতলার মোড়,বুধহাটার-পাইথলীর মোড়, বুধহাাটার আমতলার মোড়, শ্বেতপুর,বাহাদুর পুর খেয়াঘাট এখন বসছে মাদকের হাট।হাত বাড়ালেই মিলবে সব রকম মাদক।অথচ বুধহাটায় একটি পুলিশ ফাড়ি থাকলেও তার রয়েছে নিরব ভ’মিকায়।মাঝে মধ্যে দুএকজনকে গ্রেফতার করলেও প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের না ধরে সম্ভ্রান্ত ঘরের সন্তান ,ছাত্রদের হাতকড়া লাগিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।সন্ধ্যার পর বা রাতে এদের তৎপরতা বাড়ে।নিরাপদে মাদক ক্রয়ের জন্য মাদকসেবীরা ভিড় করে কথিত সোর্সদের কাছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের উপর নেমে আসে নির্যাতন ।সম্প্রতি বুধহাটায় এক মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে অতিঃ পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলাম বলেন, পূর্বে আমাদের প্রধান সমস্যা ছিল জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বেকারত্ব। কিন্তু আজকে প্রধান সমস্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বলা হবে- মাদক। মাদকাসক্ততা কেবল ব্যক্তি নয়, বরং গোষ্ঠিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকাসক্ততা রোধে পরিবার সমাজ এখন হিমশিম খাচ্ছে। প্রাচ্যের ঐতিহ্য পারিবারিক বন্ধন এখন ভেঙ্গে পড়েছে, তাই পরিবার দুর্বল হওয়ায় মানকাসক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি উপস্থিত সকলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, মাদকের সাথে কোন ছাড় নেই। কোন পুলিশ যদি এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে আমাদেরকে জানাবেন, সাথে সাথেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ হোক, প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।সুধী জনদের দাবী এলাকায় প্রকৃত মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সাড়াশি অভিযান চালনো হোক ।মিথ্যা কারনে কোন নিরীহ ব্যক্তি বা ছাত্রদের উপর মাদক সেবনের দায় নেমে না আসে সেটাও খেয়াল রাখারও অভিমত প্রকাশ করেছেন।

Tag
আরও খবর